নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
রাজধানীর উত্তরায় এয়ারপোর্ট রোডে ডিএল পেট্রোল পাম্পের এক কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতার সাগর বাড়ৈকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়া এলাকার একটি বাসার গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ডিবির উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইলিয়াস কবির।
ইলিয়াস কবির বলেন, উত্তরার এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় ডিবি শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। এ ঘটনায় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে সাগর বাড়ৈসহ পাঁচজনকে চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে কিছু টাকা ও বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি র্যাব এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে সাগর বাড়ৈ ও জলিল নামের দুজন বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন।

সাগর বাড়ৈকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়া এলাকার একটি বাসার গ্যারেজ থেকে পালসার মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে ডিবির উত্তরা বিভাগের একটি দল।
ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, যে বাসার গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে নিজেকে ইতালিপ্রবাসী পরিচয় দিয়ে ভাড়া থাকতেন সাগর বাড়ৈ। উত্তরায় ছিনতাইয়ের পর মোটরসাইকেলটি ওই বাসার গ্যারেজে রেখে তিনি পালিয়ে যান। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সাগর প্রথমে মোটরসাইকেলটি গোপালগঞ্জে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়েও মোটরসাইকেলটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়া থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

ইলিয়াস কবির আরও বলেন, সাগর বাড়ৈ গ্রেপ্তার হওয়ার খবর পেয়ে খিলগাঁওয়ের ওই বাসা থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা মালামাল নিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। সাগর যে বাসায় থাকতেন, সেটিও তাঁরা ছেড়ে দিয়েছেন।
ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে ডিবির অভিযান চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, কয়েকজনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে নতুন করে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
একেএস/এআর