Dhaka Mail Logo

জাতীয়

ফখরুলের মন্ত্রণালয় পেতে পারেন মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। একই সঙ্গে আরও তিনজনের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি সরকারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে রদবদল হতে পারে।

সরকারের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র ঢাকা মেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবদুল মঈন খান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন তিনি।

নতুন যে চারজন মন্ত্রী হচ্ছেন তারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত এমপি সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

সম্ভাব্য রদবদলের তালিকায় বিমান, কৃষি, খাদ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্থানীয় সরকার এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ও রয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর বিএনপি মহাসচিবের পদ ও এলজিআরডি মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫-৮৮ ভোটে জয়লাভ করে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন তিনি। আজ সন্ধ্যায় তার শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।

মির্জা ফখরুলের শপথের পরই মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার সদস্যকে শপথ পড়ানো হবে।

গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠন করে বিএনপি। ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের শপথের দিনই ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এর মধ্যে ২৫ জনকে পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জনকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সেদিন বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান। বাংলাদেশের দীর্ঘ ঐতিহ্য ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

১৮ ফেব্রুয়ারি পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।

সেদিন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

গত ২ জুন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। মাঝে কিছু মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বন্টন করা হলেও মন্ত্রিসভায় কাউকে যুক্ত করা হয়নি। এবার মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ হিসেবে চারজন নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন।

এমআর