জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
২০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
কম খরচে এয়ারলাইন পরিচালনা, বিমানবন্দরের কার্যকারিতা, ডিজিটালাইজেশন, উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এয়ারএশিয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।
এ নিয়ে সম্প্রতি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এয়ারএশিয়া গ্রুপের সদর দফতর রেড কিউতে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি বৈঠকে অংশ নেয়।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী।

এয়ারএশিয়া গ্রুপের সিইও বো লিঙ্গাম প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। বৈঠকে গ্রুপের ব্যবসা ও পরিচালন মডেল, কার্যক্রমের সর্বোত্তম পদ্ধতি এবং বিমান চলাচল খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
বো লিঙ্গাম বলেন, বিমান চলাচলের ভ্যালু চেইনে তাঁদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পেরে তাঁরা গর্বিত। এই বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের বাজারের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করেন তিনি।
পরে এক নির্বাহী ব্রিফিংয়ে এয়ারএশিয়ার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কম খরচের এয়ারলাইন বা এলসিসি মডেল নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে। টেকসই এলসিসি ব্যবস্থার বিকাশে সহায়ক নীতি ও পরিচালন পরিবেশের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে নেটওয়ার্ক ও উড়োজাহাজ বহরের কৌশল, বিমানবন্দরের দক্ষতা, দ্রুত উড়োজাহাজ রিটার্ন এবং পরিচালন ব্যয় কমানোর বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আকাশপথে ভ্রমণ আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২-এ গ্রাউন্ড টিম রেড (জিটিআর) পরিদর্শন করে। সেখানে তারা স্বয়ংক্রিয় ও সেলফ সার্ভিস যাত্রী প্রক্রিয়াকরণ, ডিজিটাল ব্যাগেজ ব্যবস্থা এবং যাত্রী প্রবাহ, উড়োজাহাজের ব্যবহার ও পরিচালন দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক বিভিন্ন প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ করে।
এমআইকে/এআর