নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৭ পিএম
রাজধানীর উত্তরায় পেট্রোল পাম্পে ডাকাতির ঘটনায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আসামিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলি, ডাকাতির টাকা ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিসি মিডিয়া) এক বার্তায় গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।
এ বিষয়ে শনিবার (১৫ আগস্ট) গোয়েন্দা পুলিশ প্রধান (ডিবি) শরিফুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ) নিয়াজ মেহেদী জানান, এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতারসহ অস্ত্র, গুলি ও টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ব্যাংকে জমা দিতে যাওয়ার পথে ডি এল ফিলিং স্টেশনের এক কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে উত্তরা র্যাব-১ ব্যাটালিয়নের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খালাতো ভাই তাসীন আক্তার হকের।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনটি মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন ব্যক্তি টাকা বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করে। পরে গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে সেটি থামিয়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
ছিনতাই হওয়া টাকা ডিএল পেট্রোল পাম্পের বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে এ ঘটনায় মামলা করেছেন।
পেট্রোল পাম্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডিএল পেট্রোল পাম্পে প্রতিদিন প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিদিনের বিক্রির টাকা সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য নেওয়া হতো। শুক্র ও শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় ওই দুই দিনের টাকা পরবর্তী কর্মদিবস রোববার একসঙ্গে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। ফলে রোববার তুলনামূলক বেশি টাকা ব্যাংকে নেওয়া হয়।
ঘটনার দিনেও নিয়ম অনুযায়ী পেট্রোল পাম্পের টাকা ব্যাংকে জমা দিতে নেওয়া হচ্ছিল। সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে উত্তরা র্যাব-১ ব্যাটালিয়নের দক্ষিণ পাশে পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন ব্যক্তি গাড়িটির গতিরোধ করেন। পরে তারা গাড়িতে ধাক্কা দেন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার পর টাকার ব্যাগ নিয়ে দ্রুত মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান।
মামলায় ছিনতাই হওয়া টাকার পরিমাণ ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
এমআই