Dhaka Mail Logo

জাতীয়

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রথমে কড়া হুঁশিয়ারি, পরে বিজ্ঞপ্তি সংশোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৯ পিএম

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রমাণ ছাড়া মিথ্যা তথ্য ছড়ালে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই অবস্থান থেকে সরে এসে বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করে আইনি ব্যবস্থার সতর্কবার্তা বাদ দেওয়া হয়। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকাশিত প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে বলা হয়, এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়ালে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কিছু সময় পরই তা সংশোধন করা হয়। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারির অংশটি বাদ দিয়ে বলা হয়, অতিরিক্ত বিল নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে গ্রাহকেরা প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়।

বিদ্যুৎ বিভাগ আরও দাবি করেছে, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলসংক্রান্ত যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো যাচাই করে সমাধান করেছে। ফলে এ বিষয়ে বিভ্রান্তি বা অপপ্রচার ছড়ানোর সুযোগ নেই।

এর আগে গত তিন মাস ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকেরা অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল পাওয়ার অভিযোগ করে আসছেন। অনেকের দাবি, নতুন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার না করলেও বিদ্যুতের ইউনিট অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। আবার কেউ অভিযোগ করেছেন, নিয়মিত মিটারের রিডিং না নিয়ে অনুমানের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ তদন্তে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। প্রতিটি বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিকে নিজ নিজ এলাকার অভিযোগ যাচাই করতে বলা হয়েছে।

তার ভাষ্য, প্রতিটি ইউটিলিটি প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে অভিযোগগুলো তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত অধিকাংশ অভিযোগ পর্যালোচনায় অতিরিক্ত বিল করার যে অভিযোগ উঠেছে, তার সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এমআর/এআর