জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু। ইউসুফের পাশাপাশি সেদিন তাকেও হত্যার পরিকল্পনা ছিল বলে জানান তিনি।
গত ২৪ জুলাই কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর গোয়েন্দারা জানায়, এলাকায় ময়লার টেন্ডার ও ফুটপাতের দখলকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। কিন্তু ঘটনার ছয় দিন পর চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন বাবু।
বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সেই তথ্যই জানান এই যুবদল নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে বাবু বলেন, ‘ওই হামলার মূল টার্গেট ছিলাম আমি। আমাকে চিরতরে সরিয়ে দিতে ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে কিলার নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু অলৌকিকভাবে আমি বেঁচে যাই।’
তিনি দাবি করেন, ‘আমি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারি, সে উদ্দেশে পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার নীলনকশা করা হয়। মূল চক্রান্তকারী আড়ালে থেকে হাফিজুর রহমান হাফিজকে (সিএনজি হাফিজ) সামনে রেখে কিলিং মিশন পরিচালনা করে। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও আধিপত্যের গল্প সাজিয়ে প্রকৃত ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে।’
কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতা বলে দাবি করেন বাবু।
তিনি বলেন, ‘হাফিজকে সামনে রেখে মূল ঘাতককে আড়াল করার চেষ্টা চলছে। যাদের সঙ্গে ছবি দেখানো হয়েছে, তারা সবাই একই নেতার সঙ্গে রয়েছেন। তাহলে সেই নেতাকে কি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে? হাফিজ এখনো গ্রেফতার হয়নি।’
এর আগে গত ২৪ জুলাই রাতে মিরপুরের কাফরুল এলাকায় যুবদল কর্মী ইউসুফ গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হন। হত্যাকাণ্ডের পর আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি জানান, তিনি শুরু থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে আসছেন। এ ঘটনায় যে-ই জড়িত থাকুক, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি।
এমআইকে/এএইচ