Dhaka Mail Logo

জাতীয়

দেশে-বিদেশে নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার অভিবাসী কর্মীরা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম

বাংলাদেশ এবং গন্তব্য দেশ—উভয় স্থানেই অভিবাসী কর্মীরা প্রতিনিয়ত নানাবিধ গুরুতর প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে প্রতারণা, শোষণ এবং আইনি ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হন। অভিবাসীদের এসব সমস্যা সমাধানে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সরকার ও সংশ্লিষ্টদের আরও সচেতন হতে হবে। এজেন্সিগুলো যাতে কোনোভাবে প্রলোভন দেখিয়ে মানবপাচারে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোরও বিকল্প নেই।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অভিবাসন অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি বিষয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব অভিমত দেন।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত স্ট্রেনদেনড অ্যান্ড ইনফর্মেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস) প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) অ্যাক্সেস টু জাস্টিস কার্যক্রমের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান।

তিনি বক্তব্যে বলেন, অভিবাসনবিষয়ক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের নানা জটিলতা নিরসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া সিমস প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির (বিএনডব্লিউএলএ) প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাফাতুর রহমান রুবা।

অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা উপস্থিত থেকে তাঁদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অভিবাসন খাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রমাণভিত্তিক ও নৈতিক সাংবাদিকতা এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন প্রথম আলোর সাংবাদিক মো. মহিউদ্দিন। এ সময় অভিবাসীদের অধিকার, সমস্যা ও আইন নিয়ে বক্তব্য দেন হেলভেটাস বাংলাদেশের নিরাপদ অভিবাসন সিমস প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী সাজ্জিদ আহমেদ।

বক্তারা বলেন, অভিবাসী শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা ও প্রতারণার চিত্র গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানমূলকভাবে তুলে ধরা হলে একদিকে যেমন জনসচেতনতা বাড়বে, অন্যদিকে দায়িত্বশীল পক্ষগুলো কার্যকর সমাধান ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। তাঁদের মতে, তথ্যসমৃদ্ধ, অনুসন্ধানী ও পেশাদার সাংবাদিকতা অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং তাঁদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে।

এমআইকে/এআর