নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
আগামী ৩০ জুলাই সারাদেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
চলমান গ্যাস সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তারা এ ঘোষণা দিয়েছেন। তবে দাবি পূরণের জন্য সরকারকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত সময় দিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩০ জুলাই দেশের সব সিএনজি স্টেশন স্বাভাবিকভাবে খোলা থাকবে এবং গ্রাহকরা আগের মতো সেবা পাবেন।
সংগঠনটি জানিয়েছে, কমিশন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবির বিষয়ে সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। এসব দাবি বাস্তবায়নের জন্য আগামী ২২ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ২৩ আগস্ট থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।
সিএনজি স্টেশন মালিকদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ করা, জ্বালানির দাম বাড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু করা, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত নেওয়ার নিয়ম বাতিল করা এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থার লাইসেন্স, নবায়ন ফি ও ভূমি ইজারার খরচ যৌক্তিক পর্যায়ে কমানো।
সংগঠনের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে তাদের দাবিগুলো সমাধান হবে এবং সিএনজি খাতের চলমান সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব হবে।
এর আগে শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে স্টেশন মালিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে পেট্রোবাংলা। সেখানে ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়।
বৈঠকের পর পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন) রফিকুল ইসলাম জানান, ‘আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করেছি। মালিকরা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। তারা দুদিন সময় নিয়েছেন। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সোমবার সিদ্ধান্ত জানাবেন।’
সেই কথামতো সোমবারই (২৭ জুলাই) ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিল বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
এএইচ