জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই জুলাই গণঅভ্যুত্থান দানা বাঁধতে শুরু করলে ধানমন্ডিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষ হয়। সেই সময় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ছাত্রদের ওপর গুলি চালায়। পুলিশ ও তাদের গুলিতে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী ফারহান ফাইয়াজ নিহত হন। যা আন্দোলনে ভিন্নমাত্রা এনে দেয়। মাত্র ১৮ বছরও না হওয়া তরুণের অকাল মৃত্যু সেদিন কোনো বিবেকবান মানুষ মেনে নিতে পারেননি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফারহানের মৃত্যুর পর ওঠে প্রতিবাদের ঝড়।
ওই দিন বিকেলে সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষক নাজিয়া খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। যা সেদিন ভাইরাল হয়ে যায়। আন্দোলনে অন্যতম গতি এনে দেয় জনতার আবেগে।
তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘তারা আমার সন্তান ফারহান ফাইয়াজকে মেরে ফেলেছে। তার এখনো ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি। আমি এই হত্যার বিচার চাই। সে ২০০৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছে। আমি চাই আপনারা সবাই আওয়াজ তুলুন। সংশ্লিষ্টদের জন্য জানাচ্ছি, ফারহান আমার বায়োলজিক্যাল ছেলে না। কিন্তু সে আমার কাছে আমার নিজের সন্তানের চেয়ে কম নয়।’
এ ছাড়াও টেন মিনিট স্কুলের প্রধান প্রশিক্ষক ও ইংরেজি শিক্ষক মুনজেরিন শহীদ তার পোস্টে লিখেছিলেন, ‘আমার ছাত্র ফারহান আর নেই। আমি বিষয়টি বিশ্বাসই করতে পারছি না। কিছুদিন আগে তার সঙ্গে আমি গ্রামার-বিষয়ক একটি ভিডিও তৈরি করেছিলাম।’
ওই দিন বিকেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় সিটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এমআইকে/এফএ