নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম
নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে জারি এবং বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। দাবি বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার (১২ জুলাই) সংগঠনের আহ্বায়ক আব্দুল মালেক ও সদস্য সচিব মো. আশিকুল ইসলামের পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। নতুন জাতীয় পে-স্কেলের পরিবর্তে অন্য কোনো সাময়িক সুবিধা দিয়ে মূল দাবিকে আড়াল করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনের আহ্বায়ক আব্দুল মালেক বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষা করছেন। এখন আর আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করে কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটানোর আহ্বান জানান তিনি।
আব্দুল মালেক বলেন, বিভিন্ন মহলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর শর্ত বা অর্থনৈতিক চাপের বিষয়টি আলোচিত হলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিজস্ব নীতিগত সিদ্ধান্ত। দীর্ঘসূত্রিতার কোনো অজুহাত আর মেনে নিতে আমরা প্রস্তুত নই।
সংগঠনের সদস্য সচিব মো. আশিকুল ইসলাম বলেন, রেশন সুবিধা প্রয়োজন হতে পারে, তবে তা কখনোই নবম জাতীয় পে-স্কেলের বিকল্প হতে পারে না। কর্মচারীদের প্রধান দাবি হচ্ছে দ্রুত নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি এবং বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা।
আশিকুল ইসলাম বলেন, সরকারকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় দিতে চান তারা। এর মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে সারাদেশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরামর্শ করে আইনসম্মত, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তাদের লক্ষ্য সংঘাত নয়, বরং ন্যায্য দাবি আদায়।
এম/ক.ম