জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
২১ জুন ২০২৬, ০৯:২০ পিএম
টানা বৃষ্টিতে রোববার (২১ জুন) বিকেলে রাজধানীজুড়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। বিশেষ করে বিকেলে ঘরে ফেরা কর্মজীবীরা ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
তবে জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্বে থাকা সিটি করপোরেশন বলছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগে দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা থাকলেও এখন কয়েক ঘণ্টায় তা নিরসন হয়ে যাবে।
রোববার (২১ জুন) দুপুরের পর রাজধানীতে বৃষ্টি শুরু হয়। টানা বৃষ্টি পড়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত৷ বৃষ্টির পরপরই শহরের সড়কগুলো পানিতে নিমজ্জিত হতে থাকে। একপর্যায়ে পানিতে তলিয়ে যায় অনেক সড়ক। নগরীর অলিগলিতেও দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। জলাবদ্ধতার চিত্র দেখা গেছে মধ্যে মালিবাগ, মৌচাক, মগবাজার, বাংলামটর, সাইন্সল্যাব, নিউ মার্কেটসহ প্রায় সড়কেই।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম ফোন ধরেননি। তবে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার সন্ধ্যার পর ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা হবেই। কিন্তু কথা হলো, এই সাফারিংটা আগে হতো ১/২ দিন। এখন আমি গ্যারান্টি দিতে পারি, দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মধ্য রাস্তার পানি চলে যাবে ।’
মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের এখানে জলাবদ্ধতার ৩৩টা হটস্পট রয়েছে। এগুলোর জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন। তারা ময়লা পরিস্কার করে দিচ্ছেন। পাশাপাশি পাম্প দিয়েও পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।’

জানতে চাইলে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তো সব জায়গায় আউটলেট করিনি। আউটলেটের ব্যাপারে সরকার নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে। এখন প্রক্রিয়া শেষ করে আউটলেট তৈরি হতে সময় লাগবে। এতে এক দেড় বছর সময় লাগতে পারে।’
‘সেই সময়ের জন্য আমরা বসে নেই। আমরা ১০টা পাম্প কিনেছি। কারণ আমরা যদি পাম্প বসানোর মতো ক্যাপাসিটি দেখি তাহলে বসিয়ে পানি নিষ্কাশন করে ফেলি। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ১০ জন করে কর্মীও নিয়োজিত আছেন। তারা ম্যানহোলের ডাকনা খুলে দিচ্ছেন। কোথাও জ্যাম হয়ে গেলে সেগুলো পরিষ্কার করে দিচ্ছেন।’ বলে মাহাবুব।
এএম/ক.ম