images

জাতীয়

সরকার বদলালেও বদলায়নি পুলিশ

একে সালমান

১৭ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম

  • তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে এখনো বের হতে পারেনি পুলিশ
  • পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ফেরাতে বাহিনীর ভেতরে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে
  • নির্যাতনে কারো মৃত্যু হলে দোষী পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন ও জরিমানার বিধান রয়েছে

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের প্রধান দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে বছরের পর বছর ধরে পুলিশের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিকদের তুলে নেওয়া, হয়রানি, চাঁদাবাজি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠছে। সরকার পরিবর্তন, প্রশাসনিক সংস্কার ও নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও বাহিনীর একটি অংশে এই সংস্কৃতি পুরোপুরি দূর হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে বাহিনীর ভেতরে কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করা ছাড়া বিকল্প নেই। তাঁদের মতে, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কাউকে তুলে নেওয়া বা আটকের পর পরিবারের কাছে তথ্য গোপন রাখা আইনের শাসনের পরিপন্থী। এতে জনমনে ক্ষোভ ও অনাস্থা তৈরি হচ্ছে।

এমন ঘটনায় বাংলাদেশের আইন যা বলে

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাবে না বা নিষ্ঠুর, অমানবিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমে যেকোনো নাগরিককে শারীরিক নির্যাতন, অমানবিক বা মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী শাস্তি থেকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩ অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে কোনো আসামিকে মারধর বা শারীরিক-মানসিক নির্যাতন একটি গুরুতর শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। একই আইনের ধারা ১৫ অনুযায়ী, হেফাজতে থাকা কোনো ব্যক্তিকে নির্যাতন করলে দায়ী কর্মকর্তার সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। আর নির্যাতনের কারণে যদি ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়, তবে দোষী পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ১ লাখ টাকা জরিমানার স্পষ্ট বিধান রয়েছে।

পাশাপাশি, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো আসামিকে গ্রেফতারের সময় সে যদি পালিয়ে যাওয়ার বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা না করে, তবে তার ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা যাবে না।

তল্লাশির নামে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ যেসব ঘটনায়

গত ১২ জুন (শুক্রবার) চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে চান্দগাঁওয়ের বাসায় ফিরছিলেন নাঈম। পতেঙ্গা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে লালখান বাজার এলাকায় নেমে আরেকটি ফ্লাইওভারে ওঠার কথা ছিল তার। দুই ফ্লাইওভারের মাঝামাঝি এলাকায় পুলিশ তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে হেনস্তা ও নির্যাতন করে। এ সময় নাঈমকে পাইপ দিয়ে পিটিয়ে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

এ ঘটনায় ক্রিকেটার নাঈম বলেন, আমার প্রিমিয়ার লিগে খেলা চলছিল। এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজি নিয়ে বাসায় আসছিলাম। রাত ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে লালখান বাজার ফ্লাইওভারের নিচে আসতেই পুলিশ পরিচয়ে আমার সিএনজি দাঁড় করায় কয়েকজন। এ সময় ড্রাইভারের কাছ থেকে কাগজপত্র নেয়। সঙ্গে সঙ্গে সিএনজির দরজা খুলে আমাকে চেক করবে বলে আমার গলা চেপে ধরে বলে, ‘তুই গাড়িতে উঠ।’ এই বলে আমাকে গাড়িতে তোলে।

আরও পড়ুন: ‘কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়, পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু’

ওই সময় তারা আমার গলা টিপে ধরে পাইপ দিয়ে পিটিয়ে হেনস্তা করে। তখন আমি বাধ্য হয়ে জাতীয় দলের খেলোয়াড় পরিচয় দিলে তারা আমার ওপর আরও চড়াও হয়। সেসময় আশপাশে ১০০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো হয়েছিল। তারা আমার পরিচয় জেনেও আমাকে মারতে থাকে। আমাকে মারতে মারতে বলতে থাকে, ‘তুমি আসামি, কথা বলবি না।’ আমি আইডি কার্ড দেখিয়েছি, তবুও মারধর করা হয়। গাড়িতে তুলে খুলশি থানার দিকে নেওয়ার সময় পুলিশ ওসির সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে। থানায় নেওয়ার পর ওসির রুমেও আমাকে মারধর করা হয়।

এ ঘটনার পর পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন সদস্যকে চট্টগ্রামের খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় নাঈমের ভাই কামরুল হাসান সাব্বির বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এছাড়াও, চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল (সোমবার) টাকা চুরির অভিযোগে পিরোজপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের মেসের অস্থায়ী কেয়ারটেকার মো. ইউনুস ফকিরকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে অমানবিকভাবে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এমনকি তার শরীরের সংবেদনশীল স্থানে মোমের আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়েছে। ঘটনাটি গোপন রাখতে প্রথমে তাকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি না করে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের কাছে প্রকৃত ঘটনা বলতে বাধা দেওয়া হয়। পরদিন (১৪ এপ্রিল) তাকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও নির্যাতনের প্রকৃত ঘটনা গোপন রাখতে ইউনুসকে ভিন্ন বক্তব্য দিতে চাপ দেওয়া হয় বলে দাবি পরিবারের। পরবর্তীতে ইউনুসকে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি ইউনুসের কাছ থেকে বিস্তারিত শোনেন এবং ওই মেসে কাজ করা ঝাড়ুদার শাকিলকে ডেকে আনেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর শাকিল টাকা চুরির কথা স্বীকার করে এবং সেই টাকা তার কাছ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় সে সময় পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমেদ সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রথমে বিষয়টি জানা যায়নি। সঙ্গে সঙ্গেই একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে ডিবির ওসি আরিফসহ দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউনুসের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব জেলা পুলিশ বহন করবে এবং সুস্থ হয়ে সে স্বপদে কাজ করবে।

আরও পড়ুন: পুলিশকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর। ওই দিন রাতে সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে রায়হান উদ্দিন নামে এক যুবককে নির্মম নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের ফলে পরের দিন সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর মহানগর পুলিশের অনুসন্ধান কমিটি রায়হানের ওপর নির্যাতনের সত্যতা পায়। এ ঘটনায় ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।

এসআই আকবরকে ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়। ২০২১ সালের ৫ মে আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় পিবিআই। এতে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়। মামলায় অন্য অভিযুক্তরা হলেন সহকারী এসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল মো. হারুন অর রশিদ, টিটু চন্দ্র দাস, সাময়িক বরখাস্ত এসআই মো. হাসান উদ্দিন ও এসআই আকবরের আত্মীয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমান।

police

রায়হান উদ্দিন হত্যা মামলায় ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বিচার শুরু হয় এবং মোট ৬৯ সাক্ষীর মধ্যে ৬৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এখন রায়ের জন্য প্রস্তুত। দীর্ঘ চার বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অধিকতর শুনানি চলছে। শুনানি সম্পন্ন হলে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবে আদালত।

পুলিশ সংস্কারের অভাবেই সাধারণ মানুষ হয়রানি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম ১৩ জুন (শনিবার) বিকেলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় মহাসমাবেশে বলেছেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী পুলিশ, দুদক ও বিচার বিভাগে সংস্কার না হলে জনগণের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধ হবে না। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ সংস্কারের অভাবেই সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারকে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এটি প্রমাণ করে যে পুলিশি ব্যবস্থায় এখনো কাঙ্ক্ষিত সংস্কার হয়নি। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে পুলিশ বাহিনীকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীদের মত

সমাজবিজ্ঞানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদুল হক ঢাকা মেইলকে বলেন, পুলিশ বিনা পরোয়ানায় কাউকে তুলে নেওয়ার এই সংস্কৃতির পেছনে দীর্ঘদিনের দায়মুক্তির প্রবণতা অন্যতম কারণ। অভিযোগ ওঠার পরও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দৃশ্যমান না হওয়ায় অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঘটে। আগে এমন ঘটনা প্রায় ঘটত। আমরা ভেবেছিলাম বর্তমান সময়ে এসব আর ঘটবে না। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলোয়াড়কে তুলে নিয়ে নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি ঘটনা আমাদের সেই আশা ভেঙে দিয়েছে। এসব ঘটনা কমাতে হলে পুলিশের অভ্যন্তরীণ নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুলিশ জনগণের বন্ধু ও সেবক হিসেবে কাজ করবে—এটাই প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশা পূরণে কাউকে বিনা পরোয়ানায় তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে আইন ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল একটি পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রিয়াদ সাহেল ঢাকা মেইলকে বলেন, পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করলে তার কারণ, স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্বজনদের অবহিত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এসব নিয়ম সব সময় মানা হয় না। ফলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও বলেন, আসামি গ্রেফতারের ক্ষেত্রে গ্রেফতারি পরোয়ানা দেখানোর বিধান আইনে বলা আছে। পাশাপাশি তল্লাশির নামে কাউকে হয়রানি, নির্যাতন কিংবা অন্য কোনো মামলায় ফাঁসানোর সুযোগ নেই। যদি পুলিশের কোনো সদস্য এমন ঘটনা ঘটায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ছাড়াও ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩ অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে কোনো আসামিকে মারধর বা শারীরিক-মানসিক নির্যাতন একটি গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই আইনের ধারা ১৫ অনুযায়ী, হেফাজতে থাকা কোনো ব্যক্তিকে নির্যাতন করলে দায়ী কর্মকর্তার সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। আর নির্যাতনের কারণে যদি ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়, তবে দোষী পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ১ লাখ টাকা জরিমানা হওয়ার বিধান রয়েছে। অতিরিক্ত হিসেবে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

পাশাপাশি, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো আসামিকে গ্রেফতারের সময় সে যদি পালিয়ে যাওয়ার বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা না করে, তবে তার ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা যাবে না।

একেএস/এআর