নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্য পদের ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ২৩৭ জন প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। এ কারণে তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তাদেরকে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্টদের এমপিও স্থগিত বা বাতিলের সুপারিশ করা হতে পারে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) বেসরকারি কলেজ-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন।
নোটিশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাইয়ের জন্য মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। যাচাই শেষে প্রাপ্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২৩৭টি পদের ক্ষেত্রে ভুল বা অসঙ্গতিপূর্ণ চাহিদা পাঠিয়েছে।
এসব ভুলের মধ্যে রয়েছে প্যাটার্নবহির্ভূত পদে চাহিদা প্রদান, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থী না থাকা, ভুল তথ্য দিয়ে পদ চাওয়া, পদের বিপরীতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও ই-রিকুইজিশন পাঠানো, শিক্ষক প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও চাহিদা দেওয়া এবং যাচাই কার্যক্রমে সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ না করা।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভুল চাহিদা প্রদানের ফলে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয়। একইসঙ্গে ভুল পদের বিপরীতে কোনো ব্যক্তি সুপারিশ বা নিয়োগ পেলে পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হন। এ কারণে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ১৮.১(ঘ) ধারা অনুযায়ী কেন সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষের এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গভর্নিং বডির সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে মতামতও চাওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ১০ কর্মদিবসের মধ্যে আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে তাদের জবাব পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এম/ক.ম