জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১২ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
ঢাকাবাসীর বিনোদনের জন্য ঘোরার মতো তেমন কোনো জায়গা নেই। ফলে তারা অন্যের বাসায় দাওয়াত ও রেস্তোরাঁয় খাওয়াকেই বিনোদন বলে মনে করেন। এই অবস্থা থেকে বের হয়ে নগরবাসীকে বিনোদন দিতে সরকার এবার ঢাকার অদূরে পূর্বাচলে একটি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সেখানে থিয়েটার, মুভি কমপ্লেক্স, সুইমিংপুলসহ যাবতীয় বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। যেটার নাম হবে ক্রিয়েটিভ সেন্টার বা হাব। আর এই হাবের এলাকা হবে ১৬০ একর জমিজুড়ে। এছাড়াও দেশের দর্শনীয় স্থানগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় কিন্তু আমাদের বিনোদনের কোনো জায়গা নেই। আমাদের বিনোদন হচ্ছে কারো বাড়িতে গিয়ে দাওয়াত খাওয়া অথবা রেস্টুরেন্টে গিয়ে ডিনার করা। এই হচ্ছে আমাদের বিনোদন। এজন্য বিনোদনের যে বিষয়টা এটা আমাদের ক্রিয়েটিভ ইকোনমির মধ্যে আমরা ইনক্লুড করেছি। অর্থাৎ পর্যটনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে পরবর্তীতে এবং এটার জন্য আমরা অনেকগুলো কাজ হাতে নিয়েছি। এক নম্বর হচ্ছে ঢাকার বাইরে আমরা একটা ক্রিয়েটিভ সেন্টার বা হাব করছি। যেখানে থিয়েটার থেকে শুরু করে সব ধরনের এন্টারটেইনমেন্ট থাকবে। আর এই হাবটা হবে ১৬০ একর এলাকাজুড়ে।
মন্ত্রী বলেন, আপনি বিকেলে গেলে যাতে পুরো সন্ধ্যাটা ঘুরতে পারেন। যারা থিয়েটার দেখতে চান না স্ট্যান্ডার্ড কমিডি চান, না ডিজাইনার সব ফাইন ডিজাইনিং নাকি আর্টিস্ট বা পেইন্টারদের শপে যাবেন পুরো এলাকাটা হবে যেরকম ঢাকা।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে যে কাজটা আমরা করতে চাচ্ছি প্রায় ঢাকাসহ বাংলাদেশের সারা জায়গায়। এই অপরচুনিটিগুলো ক্রিয়েট করার জন্য আমরা একটা বিনিয়োগের কাজ শুরু করেছি। ইমিডিয়েটলি আমরা ৮০০ কোটি টাকা দিয়ে আমরা শুরু করছি। এ কাজটা যেটা কোনো দিন বাংলাদেশে কোনো সময় হয় নাই। কেউ চিন্তাও করে নাই।
এসময় মন্ত্রী জানান, বিশ্বের যেকোনো দেশে যে কেউ ঘুরতে গেলে দেখা যায় সেই ব্যক্তি দিনশেষে এক হাজার ডলার ব্যয় করে বিনোদন নিয়ে বাড়ি ফিরছে। আর এটাকে ক্রিয়েটিভ ইকোনকি বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই বিষয়টিকে মনিটাইজেশন (মুদ্রায়ন বা নগদীকরণ) করতে পারলে এবং যদি সেটি টিকে থাকে দিনশেষে সেটা থেকে আয় হবে। তবে দেশের ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থানগুলোকে আগের অবস্থায় ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এমআইকে/ক.ম