images

জাতীয়

অবৈধ সিগারেটের তথ্য দিলেই মিলবে পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ জুন ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

অবৈধ সিগারেট বাণিজ্য দমনে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে হুইসেলব্লোয়ার ব্যবস্থা চালু এবং তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, অবৈধ তামাক পণ্যের বাণিজ্য প্রতিরোধে কয়েকটি নতুন বিধান প্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে— তামাক পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ কঠোরভাবে মনিটরিংয়ের জন্য ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ পদ্ধতি চালু করা। পাশাপাশি কারখানায় কাউন্টিং ডিভাইস ও আধুনিক এআই ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে উৎপাদন ও সরবরাহ কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এছাড়া সিগারেট স্ট্যাম্পে কিউআর বা এআর কোড সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজার নজরদারির জন্য একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে, যার মাধ্যমে নাগরিকরা অবৈধ সিগারেট সম্পর্কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে তথ্য দিতে পারবেন। এ তথ্য যাচাইয়ের ভিত্তিতে তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করার বিধান রাখা হবে।

একইসঙ্গে শুধু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সিগারেট ও বিড়ি পেপার আমদানির বিধান প্রণয়ন এবং এসব কাঁচামাল শুধুমাত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছেই বিক্রির নিয়ম করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে, বাজেট বক্তব্যে মোট ব্যয় ও উন্নয়ন বরাদ্দের চিত্রও তুলে ধরা হয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা এবং মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। পরিচালন ও অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা। পাশাপাশি উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় বেশি।

এমএইচএইচ/এআর