জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১১ জুন ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
রেল যোগাযোগে দূরত্ব কমিয়ে আনতে ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে করিডোর প্রতিষ্ঠা এবং চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সকল জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা এবং বন্দরসমূহের সাথে রেল সংযোগ সম্প্রসারণ করাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
যার ফলে আসন্ন ২০২৬/২৭ অর্থবছরের বাজেটে রেলখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৫০১ কোটি টাকা। এ খাতে গত ২০২৫/২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ছিল ৪ হাজার ২২৮ কোটি টাকা। এরআগে ২০২৪/২৫ সালের বাজেটে বরাদ্দ ছিল ৩ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে রেলপথকে অধিক কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্য রয়েছে সকল জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা এবং বন্দরসমূহের সাথে রেল সংযোগ সম্প্রসারণ; আধুনিক লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ওয়াগন সংগ্রহ; সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয়ভাবে কোচ ও লোকোমোটিভ সংযোজন; ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ ও আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালু; এবং ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ও উচ্চগতির রেল সংযোগ চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণ করা হবে, যার ফলে এ পথের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে করিডোর প্রতিষ্ঠা এবং চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা।
এএম/জেবি