images

জাতীয়

রামিসা হত্যা: বিচার বিলম্ব করতেই অন্যের নাম বলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম

‎মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা ঘটনায় মামলার বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করতে আসামিরা বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে। সে বক্তব্যে তারা অন্যজন জড়িত থাকার কথা বলছে। তদন্তে চার্জশিটভুক্ত আসামির বাইরে অন্য কারও সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

‎বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘মে মাসে জননিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অর্জিত সাফল্য’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ছিনতাই প্রতিরোধ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, এআই ক্যামেরা, ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

‎ডিএমপি কমিশনার বলেন, শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার আসামিরা অন্য ব্যক্তির নাম বলার চেষ্টা করছে। আমাদের ধারণা, বিচার প্রক্রিয়াকে প্রলম্বিত করার উদ্দেশ্যেই তারা এমন কৌশল নিয়েছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, তাদের বাইরে আর কারও জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রামিসা হত্যার ঘটনায় আমরা সাত দিনের মধ্যে চার্জশিট দিয়েছি।

‎তিনি জানান, সচিবালয়ে লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় জড়িত এক আউটসোর্সিং কর্মী ও একটি ভাঙারি দোকানের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রায় আট কেজি তার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

‎এছাড়াও রাজধানীতে এআইভিত্তিক ট্রাফিক নজরদারির জন্য বর্তমানে ৫৭টি পয়েন্টে ৭০টি এআই ক্যামেরা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আমরা আমাদের পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করে দিয়েছি। যদি কেউ ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে, তাহলে পুলিশসহ সরকারি গাড়ির বিরুদ্ধেও ট্রাফিক আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎এ সময় তিনি আরও বলেন, প্রধান সড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা অটোরিকশা আটক করে ডাম্পিং করছি। এছাড়াও যেসব যানবাহন ট্রাফিক আইন মানছে না, তাদের বিরুদ্ধে এআই জেনারেটেড মামলায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

‎একেএস/এআর