images

জাতীয়

যে কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন দীপেন দেওয়ান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

০১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করা বিএনপি ১০০ দিন পার করেছে। এর মধ্যে হঠাৎ পদত্যাগ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দেওয়া পদত্যাগপত্রে তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন।

পদত্যাগের আবেদনে দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, ‘আমি দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে আমার বর্তমান পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি উপর্যুক্ত কারণে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছেন।

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

দীর্ঘ ১৯ বছর সরকারি চাকরি করার পর ২০০৫ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন দীপেন দেওয়ান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। সেদিন বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচন হন দীপেন দেওয়ান।

তার প্রয়াত বাবা বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দীপেন দেওয়ান ছাত্রজীবন থেকে কিছুটা সক্রিয় থাকলেও পরিবারের ইচ্ছায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে আইন বিভাগে লেখাপড়া শেষ করে বিসিএস কর্মকর্তা হিসেবে জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন।

২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের শেষ সময়ে এসে বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ ১৯ বছরের জুডিশিয়াল সার্ভিসের চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে সাবেক সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

রাঙামাটি বিএনপি তৃণমূলের নেতাকর্মীরা যখন কোন অভিভাবক পাচ্ছিল না তখন দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি জেলা বিএনপির ত্রাণকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তিনি প্রথমে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

বিইউ/এমআর