images

জাতীয়

তৃতীয় দিনেও ফাঁকা রাজধানী 

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

৩০ মে ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম

ঈদের তৃতীয় দিনেও ঢাকার রাস্তাঘাটগুলো অনেকটাই ফাঁকা। রাস্তাঘাটে যাত্রীদের পাশাপাশি যানবাহনেরও শঙ্কট রয়েছে।  শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শাহবাগ, ফার্মগেট, গুলশান, বনানী, গাবতলী ও মিরপুর সড়কে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। 

গতকাল ঢাকায় বিকেলের দিকে যানবাহন কিছু নেমেছিল। ফলে ঢাকায় বের হওয়া লোকজন তেমন বিপাকে পড়েননি। কিন্তু আজ যানবাহন নেই বললেই চলে। যে কয়েকটি চলছে তাও অনেক সময় পর রাস্তায় দেখা মিলছে। 

জাহাঙ্গীর গেটে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন আবু নোমান ও তার দুই বোন। তারা জাহাঙ্গীর গেটের পূর্ব পাশে দাঁড়িয়ে। এ সময় তিনি বলেন, অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু বাস পাচ্ছি না। রাস্তা তো পুরাই ফাঁকা কিন্তু কোনো গাড়ি নেই। 

তৃতীয় দিনে ঢাকার রাস্তার সিগন্যালগুলোতে তেমন গাড়ির দেখা মিলছে না। ফলে বাইকার ও প্রাইভেটকার চালকরা বেশ খুশি। গুলশানে কথা হয় সাজু নামে এক বাইকার বলছিলেন, সকাল থেকে কয়েকটা ট্রিপ মেরেছি। রাস্তা এতটাই ফাঁকা যে কল্পানার বাইরে। দ্রুত যাত্রী তুলে অল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছি। 

তার কথার সত্যতা মিলেছে। শাহবাগ টু জাহাঙ্গীর এবং মহাখালী টু উত্তরা সড়কে তেমন যানবাহন নেই বললেই চলে। যেনো সড়ক খাঁ খাঁ করছে। কিন্তু স্বাভাবিক দিনগুলোতে গাড়ির জটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তাতেই কেটে যায়। আজ সেই দৃশ্য নেই। 

702297184_996851746327206_412546048511441923_n

তবে দুপুরের পর কিছু বাস রাস্তায় নেমেছে। তবে সেগুলোতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। ফলে হেলপাররা মোড়ে মোড়ে যাত্রীর জন্য হাকডাক করছেন। 

প্রজাপতি বাসের হেলপারে সঙ্গে কথা হচ্ছিলো মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায়। তিনি বলছিলেন, আজ মোহাম্মদপুর থেকে মিরপুর টু উত্তরা গাড়ি আরামে চালাচ্ছি কিন্তু যাত্রী তো নেই। রাস্তা ফাঁকা ফলে এক মোড় থেকে আরেক মোড়ে যাইতে খুব সময় লাগছে। তারা উত্তরা থেকে মোহাম্মদপুর এক ঘণ্টারও কম সময়ে এসেছেন বলে জানালেন। 

তবে এমন রাস্তা প্রতিদিন থাকলে তারা দিনে অন্তত ১৫ টার বেশি ট্রিপ মারতে পারতেন বলে তার দাবি। 

‎এএম/এআরএম