images

জাতীয়

নির্ধারিত স্থানে কোরবানি না দেওয়ায় ডিএসসিসি প্রশাসকের ক্ষোভ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৮ মে ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম

কোরবানির জন্য স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও তা পুরোপুরি না মানায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। তিনি বলেছেন, ‘আমরা কোরবানির জন্য ৩৫৭টি জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু নগরবাসী তা পুরোপুরি মেনে চলেননি। তারা যদি নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দিতেন, তবে আমাদের কষ্ট অনেক কম হতো এবং পরিচ্ছন্নতার কাজটি আরও নিখুঁতভাবে করা সম্ভব হতো।’

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে রাজধানীর কলাবাগান সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) থেকে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তরের মাধ্যমে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক অভিযোগ করে বলেন, ‘কোনো এলাকা একবার পরিষ্কার করার পরও যদি সেখানে পুনরায় আবর্জনা ফেলা হয়, তবে সেই দায় সিটি করপোরেশনের নয়। তা সত্ত্বেও আমরা সেগুলো পরিষ্কার করে দেব।’

এ সময় রাত ৯টার মধ্যে প্রথম দিনের কোরবানি বর্জ্য অপসারণের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
 
আবদুস সালাম বলেন, ‘ডিএসসিসি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম উদ্বোধনের পর থেকে পরবর্তী ৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম দিনের কোরবানির সকল বর্জ্য ল্যান্ডফিলে অপসারিত হবে। আজ রাত ৯টার মধ্যেই পুরো ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকা কোরবানির বর্জ্যমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম দিনে প্রায় ১৫ হাজার ৯৩৫ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য মাঠপর্যায়ে মোট ১৩ হাজার ৪৫৩ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।’

প্রশাসক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বেঁধে দেওয়া সময় ১২ ঘণ্টা হলেও আমরা মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের চেষ্টা করছি। অধিকাংশ মানুষ শৃঙ্খলা মেনে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেললেও কিছু কিছু জায়গায় এর ব্যত্যয় ঘটেছে। আশা করি আগামী দিনগুলোতে নগরবাসী এ ব্যাপারে আরও সচেতন হবেন।’

কোরবানি পশু হাটের বর্জ্য ও অবকাঠামো অপসারণের বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘এরইমধ্যে ১১টি পশুর হাটের বাঁশ ও অন্যান্য জিনিসপত্র অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে, যা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হবে।’

এএম/এফএ