images

জাতীয়

গাবতলী হাটে ২৬ লাখ টাকার মহিষ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৭ মে ২০২৬, ১২:০৪ এএম

রাজধানীর গাবতলী হাটে উঠেছে ২৬ লাখ টাকার মহিষ। তবে মহিষটি এখনো বিক্রি হয়নি। মহিষটিকে ঘিরে হাটে আসা লোকজনের মাঝে নানা কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বলা হচ্ছে, শুধু এ হাটে নয় পুরো দেশে নাকু এমন বড় মহিষ আরেকটা নেই। ফলে এটি কোরবানি হলে বাংলাদেশে আর দ্বিতীয় মহিষের দেখা মিলবে না। 

মঙ্গলবার রাতে হাট ঘোরার সময় মহিষটির দেখা মেলে। মহিষের সঙ্গে আসা রাখাল বাদশার সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, মহিষটির মাংস হবে ১ হাজার ৩০০ কেজি। আর দাম হাঁকানো হচ্ছে ২৬ লাখ টাকা। 

মহিষটাকে দেখছিলেন হাটে আসা ক্রেতারা। তাদেরই একজন ইয়াসিন আলী। তিনি গতকালও হাটে এসেছিলেন। আজ বিকেল থেকে বেশ কিছু মহিষ দেখেছেন যেগুলো ক্রেতারা কিনে বাড়ি যাচ্ছিলো। এ মহিষটাকে দেখে তিনি বলছিলেন, এমন বড় মহিষ হাটে আর আসেনি। 

পরে রাখালের সঙ্গে কথা হয়। তিনি দাবি করেন, মহিষটি কয়েক বছর ধরে তারা লালন পালন করছেন। এটি আনা হয়েছে কেরানীগঞ্জ এলাকার একটি ফার্ম থেকে। এটি ভারতীয়। ছোট বেলায় তারা কুষ্টিয়া এলাকা থেকে কিনে এনেছিলেন। এতদিন ফার্মে রেখেই পুষেছেন তারা। এখন হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে বলে গতকাল তারা মহিষটি হাটে তুলেছেন। ক্রেতারা আসছেন দেখছেন কিন্তু দাম শুনে কেউ কিছু না বলে চলে যাচ্ছেন। 

পরে সেখানে মহিষটির দাম কয়েকজন ক্রেতা তাকে জিজ্ঞেস করলেও তারা কিছু বলেননি। 

তাদের সঙ্গে যখন কথা হচ্ছিলো তখন হাটের মাইকে মাইকিং চলছিল- ফেনী থেকে এক ব্যাপারী মহিষ নিয়ে এসেছেন। যারা কোরবানির জন্য মহিষ কিনতে চান তারা যেন অমুক সেডের কাছে যান। 

মহিষটির প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ জন্মাতে তার গলায় লাল ফিতা ও রঙিন মালা পরানো হয়েছে। সম্ভবত কোনো কালো কালি লাগানো হয়েছে মহিষটির গাঁয়ে, ফলে পেট, পিঠ ও রানগুলো চিকচিক করছে। 

মহিষটি বিক্রির জন্য দুটি চেয়ার নিয়ে বসেছেন বিক্রেতা। সব সময় মহিষটিকে পানি ও খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। তবে মহিষটি কিনতে ক্রেতা না থাকায় যারাই সেখানে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন তাদের কাছে বিক্রেতা জানতে চাচ্ছেন মহিষটি কিনতে তারা আগ্রহী কিনা। 

এ হাট ঘুরে বেশ কিছু মহিষ বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে সেগুলো মাঝারি সাইজের। এক একটি মাঝারি মহিষ বিক্রি হচ্ছে প্রায় দুই থেকে তিন লাখ টাকায়। লোকজনও কিনছেন। 

টিএই/এআরএম