নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ মে ২০২৬, ০৪:০১ পিএম
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন অস্থায়ী ১০টি হাট এবং স্থায়ী গাবতলী পশুর হাটে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
তিনি বলেন, হাট ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত নজরদারি ও যাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক জানান, গাবতলী হাটসহ ঢাকা উত্তর সিটির আওতাধীন মোট ১১টি হাটে ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, গাবতলী হাটে গরু বাঁধার খুঁটির জন্য প্রতি খুঁটিতে ১৫ হাজার টাকা আদায়ের যে অভিযোগ উঠেছিল, তা তদন্ত করে দেখা হয়েছে। তদন্তে এমন কোনো অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ৫ শতাংশ হাসিলের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
মিল্টন বলেন, হাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। কোথাও অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের তদন্তে বড় কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি।
প্রশাসক আরও বলেন, হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ বজায় রাখতে সিটি করপোরেশন, ইজারাদার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান এবং হাট ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার অনুরোধ করেন।
এ সময় সেখানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ/এএইচ