নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ মে ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৭৮ শতাংশ উচ্চশিক্ষিত (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর)। এদের মধ্যে ৩০ জন (৬০ শতাংশ) স্নাতকোত্তর, ১৪ জন (২৮ শতাংশ) স্নাতক, দুজন (৪ শতাংশ) এইচএসসি পাস, একজন (২ শতাংশ) এসএসসি এবং দুজন (৪ শতাংশ) স্বশিক্ষিত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) প্রধান সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার এ তথ্য উপস্থাপন করেন।
তিনি জানান, এসএসসির চেয়ে কম শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন সংসদ সদস্যদের মধ্যে একজন (২ শতাংশ) রয়েছেন স্বশিক্ষিত। একজন শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য দেননি। এ ছাড়া বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যদের মধ্যে এই হার ছিল ৭৬ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে দিলীপ কুমার জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত ৩৬ জন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যের মধ্যে ২১ জন (৫৮.৩৩ শতাংশ) স্নাতকোত্তর, ১১ জন (৩০.৫৬ শতাংশ) স্নাতক, ১ জন (২.৭৮ শতাংশ) এইচএসসি এবং ২ জন (৫.৫৬ শতাংশ) স্বশিক্ষিত। ১ জন (২ শতাংশ) শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য প্রদান করেননি।
এ ছাড়া ১১ দলীয় জোট থেকে নির্বাচিত ১৩ জন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যের মধ্যে ৯ জন (৬৯.২৩ শতাংশ) স্নাতকোত্তর, ২ জন (১৫.৩৮ শতাংশ) স্নাতক, ১ জন (৭.৬৯ শতাংশ) এইচএসসি এবং ১ জন (৭.৬৯ শতাংশ) এসএসসি।
স্বতন্ত্র জোট থেকে নির্বাচিত একমাত্র সংসদ সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে উচ্চশিক্ষিতের (স্নাতকোত্তর ও স্নাতক) হার ৮৮.৮৯ শতাংশ এবং ১১ দলীয় জোটে এই হার ৮৪.৬২ শতাংশ।
দিলীপ কুমার বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যদের তুলনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে উচ্চশিক্ষিতের হার কিছুটা বেশি। এই প্রবণতা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ সুজনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এফএ