নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
রাজধানীতে ভোর থেকে টানা বৃষ্টিতে জনজীবন কিছুটা থমকে গেছে। সড়কে মানুষের উপস্থিতি কম, গণপরিবহনও তুলনামূলক কম চললেও যাত্রীদের অভিযোগ—এই সুযোগে বেড়েছে ভাড়া। অফিসগামী, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষকে ঝুম বৃষ্টিতে সকালেই পড়তে হয়েছে নানা বিড়ম্বনায়।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভোর থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মাধ্যমে দিনের শুরু। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা রূপ নেয় ভারী বর্ষণে। সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
সকালে বৃষ্টি হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দিনমজুররা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই বাইরে বের হননি। ফলে সড়কে মানুষের উপস্থিতি কম দেখা গেলেও যানবাহনের সংখ্যাও ছিল সীমিত।
ডেমরার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, সকালে বৃষ্টির কারণে বের হতে দেরি হয় তার। পরে বৃষ্টি কিছুটা কমলে ছাতা নিয়ে বের হন। অটোরিকশায় ওঠার সময় চালক তাকে জানান, রাস্তায় গাড়ি কম এবং পানি জমে আছে। এ কারণে ১০ টাকার ভাড়া ২০ টাকা দাবি করা হয়।
তিনি বলেন, দুর্যোগ বা বৃষ্টির সময় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে, তার ওপর অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে।
রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা ও নতুনবাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সড়কে যানবাহন ও যাত্রী—দুই-ই তুলনামূলক কম। কিছু ক্ষেত্রে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট হেল্পাররা তা অস্বীকার করেন।
রাত থেকেই আকাশ ছিল ঘন কালো মেঘে ঢাকা। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই নেমে আসে ঝুম বৃষ্টি। একদিকে এই বৃষ্টি গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও বাইরে বের হওয়া মানুষের জন্য তৈরি করেছে দুর্ভোগ।
বৃষ্টির কারণে অনেকেই ছাতা না থাকায় বিভিন্ন দোকান বা ভবনের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। আবার যাদের কাছে ছাতা ছিল, তারাও পুরোপুরি রক্ষা পাননি—বিশেষ করে নিচের অংশ ভিজে যায়।।
এমআর/এএস