জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
পবিত্র হজের উদ্দেশে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে ঢাকায় হজ ক্যাম্পেও এসেছিলেন বাচ্চু মিয়া। ইচ্ছা ছিল স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পবিত্র কাবা শরীফ জিয়ারত করবেন। কিন্তু হজের সফর শুরু হওয়ার আগেই নিয়তির ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) রাতে হজ ক্যাম্প থেকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক বাচ্চু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে করে এই হজযাত্রীকে ভৈরবে নেওয়াসহ সব আয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জানা গেছে, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে সস্ত্রীক হজক্যাম্পে এসে পৌঁছান বাচ্চু মিয়া। গাড়ি থেকে নামার সময়ই তিনি বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হজের সফরের শুরুতে এমন আকস্মিক বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার স্ত্রী ও স্বজনরা।
আরও পড়ুন: হজে গিয়ে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু
এদিকে বাচ্চু মিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি মরহুমের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটি বিশেষ ফ্রিজিং গাড়িতে করে মরদেহ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে তার নিজ গ্রামে পাঠানো হয়। বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী ও স্বজনদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেজন্য গাড়িতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের পাঠানো হয়। পরে তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।
সহযাত্রীরা জানান, হজ ক্যাম্পে আসার পথে পথে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করায় বাচ্চু মিয়াকে চিনি খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা খেতে পারেননি।
বিইউ/এমআই