নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৫ এএম
ঢাকা মেইলের চিফ রিপোর্টার বোরহান উদ্দিনের বাবা এবিএম আতহার আলী ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল আটটার দিকে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগতে থাকা আতহার আলী তিন দিন ধরে হাসপাতালটিতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ছয় ছেলে, দুই মেয়ে নাতি-নাতনি, অসংখ্য ছাত্র, ভক্ত ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়ে তার মাগফেরাতের জন্য দোয়া চেয়েছেন বোরহান উদ্দিন। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমার বাবা মির্জাগঞ্জ উপজেলার সাবেক নিকাহ রেজিস্ট্রার ও সুবিদখালী রহমান ইসহাক পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ধর্মীয় শিক্ষক এবিএম আতহার আলী আমাদের ইয়াতিম করে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সকাল আটটার সময় কুর্মিটোলা হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকাবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। সবার কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ যেন বাবাকে ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ যেন বাবাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন, আমিন।’
আতহার আলী মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী রহমান ইসহাক পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ধর্মীয় শিক্ষক ছিলেন। তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলার সাবেক নিকাহ রেজিস্ট্রার।
ক্লোন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর ২ এপ্রিল ধানমন্ডির প্রফেসর ফজলুল হক কলোরেক্টল হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার হয়। আট দিন থাকার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়।
দুই দিন হাসপাতালটিতে রাখার পর ১১ এপ্রিল কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়। গত সোমবার সকালে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।
মির্জাগঞ্জে ‘কাজী হুজুর’ নামে পরিচিত আতহার আলী শিক্ষক থাকাকালীন উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন। আজই মরহুমের মরদেহ মির্জাগঞ্জ নেওয়া হবে। সুবিদখালীতে প্রথম জানাজার পর মরদেহ নেওয়া হবে গ্রামের বাড়ি চতরায়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে মির্জাগঞ্জের প্রবীণ এই শিক্ষককে।
সাংবাদিক বোরহান উদ্দিনের বাবার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ঢাকা মেইলের সম্পাদক নজরুল ইসলাম এবং নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল। তারা মরহুমের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
সহকর্মীর বাবার মৃত্যুতে ঢাকা মেইলের কর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা মরহুমের মাগফিরাত কামনা করেন।
এমআর