নিজস্ব প্রতিবেদক
০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
দেশের দুটি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬, যেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে। অন্যটি শেরপুর-৩ আসন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট শুরু হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ চলবে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুই আসনের নির্বাচনের সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী সব ঠিক আছে। আশা করি, আমরা যে বেঞ্চমার্কটা জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে আপনাদের সকলের সহযোগিতায় পেয়েছি, সেটা থেকে বেশি হবে।’
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে মোট প্রার্থী তিনজন। তারা হলেন- বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল-আমিন তালুকদার।
বগুড়া-৬ এ ভোটকেন্দ্র ১৫০টি, ভোটকক্ষ ৮৩৫টি। মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন। এ আসনে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে ২৫০ জন, বিজিবি ৮ প্লাটুন (১৮৯ জন), র্যাব ১০টিম (৭০ জন), পুলিশ ১ হাজার ৩২৭ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৯৯০ জন।
শেরপুর-৩ আসনেও প্রার্থী তিনজন। তারা হলেন- বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাসদের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান।
এ আসনে ভোটকেন্দ্র ১২৮টি, ভোটকক্ষ ৭৫১টি। ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন। সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন ১৪০ জন, বিজিবি ১৬ প্লাটুন (৩২৮ জন), র্যাব ১৪টিম (১৩৫ জন), পুলিশ ১ হাজার ১৫৫ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৭০৪ জন।
ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন ভোটের সার্বিক তথ্য তুলে ধরে জানান, আমরা ভোটকেন্দ্র দুইভাগে ভাগ করেছি। এক্ষেত্রে সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র বিবেচনায় ১৮ থেকে ২০ জন নিরাপত্তা সদস্য থাকছে। দুই আসন মিলে মোট ৩৬ জন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োজিত রয়েছেন। পোস্টাল ভোট রয়েছে এ দুটি আসনে। ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক মোতায়েন থাকছে ১৮ জন করে। স্থানীয় সংস্থার পযবেক্ষক থাকছে চার শতাধিক।
তিনি আরও জানান, এ দুই আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ভোটগ্রহণের সঙ্গে রয়েছেন ৫ হাজারের মতো কর্মকর্তা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোট হয়। এসময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুটি আসনে নির্বাচিত হন। শপথ গ্রহণের আগে একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন তিনি। এ কারণে আসনটি শূন্য হওয়ায় এ আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে।
অন্যদিকে তফসিল ঘোষণার পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে এখন সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংসদ নির্বাচনের সময় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনে আর এ ভোটের প্রয়োজন হচ্ছে না।
এমআর