images

জাতীয়

ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকি, ওসির বিরুদ্ধে পুলিশ সদর দফতরে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০১ পিএম

মাগুরার শ্রীপুরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকি, শারীরিক নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে।

‎এ ঘটনায় পুলিশ সদর দফতর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শেখ আবু সাঈদ। ‎তিনি মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া এলাকার বাসিন্দা। পেশায় ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

‎অভিযোগে শ্রীপুর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও বর্তমানে পিবিআই ঢাকা ইউনিটে কর্মরত মো. জাব্বারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, নির্যাতন এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে

‎অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী স্বর্ণালী জোয়ার্দার রিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করা হয়। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার তৎকালীন ওসি মো. জাব্বারুল ইসলাম তাকে থানায় ডেকে নিয়ে মারধর, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। 

ওই ব্যবসায়ী দাবি করেন, এক পর্যায়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার বাবার কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। এরপরও তাকে একটি মামলায় আসামি করে কারাগারে পাঠানো হয়।

‎অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, স্বর্ণালী জোয়ার্দার রিয়ার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হয়। একই সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়।

‎ভুক্তভোগীর দাবি, তাকে ও তার পরিবারকে চুপ রাখতে এবং কোনো অভিযোগ না করতে চাপ দেওয়া হয়। নির্দেশ অমান্য করলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

‎তিনি আরও অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এতদিন বিচার চাইতে পারেননি। বর্তমানে পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়ায় ন্যায়বিচারের আশায় তিনি এই অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. জাব্বারুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর মেলেনি।

‎একেএস/এএইচ