images

জাতীয়

জোটগত সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পৃথক জোটে নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি ও জামায়াত। এক্ষেত্রে বিএনপি জোট আসন পেতে যাচ্ছে ৩৬টি আর জামায়াত জোট পাচ্ছে ১২টি।

বুধবার (১ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আর জামায়াত জোট করে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নেবে। অন্যদিকে বিএনপির সঙ্গে জোটে রয়েছে গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন আর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি)। আর স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের মধ্যে ৬ জন বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে।

তিনি বলেন, ৬ এপ্রিল নারী আসনের নির্বাচন নিয়ে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন ভোট নিয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের চিঠি দিয়ে তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে সবাই নিজেদের জোটগত অবস্থানের কথা জানিয়েছে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাদারীপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা কোনো জোটে থাকবে না। এছাড়া তথ্য জানিয়েছেন অন্য সদস্যরাও।
 
সংরক্ষিত নারী আসনের হিসাব কীভাবে নির্ধারিত

সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সংসদে প্রাপ্ত সাধারণ আসনের ভিত্তিতে প্রতিটি দলের নারী আসনের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত 'প্রাপ্ত আসন সংখ্যা দ্ধ ৫০ স্ট ৩০০'—এই সূত্রে নারী আসনের হিসাব করা হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যু ও চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনে আদালতের আদেশে ফলাফল প্রকাশ না হওয়ায় ২৯৭ আসনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। 

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় সংসদে বিএনপির প্রতিনিধি ২০৮ জন।

জামায়াতে ইসলামী ৬৮, এনসিপি ৬, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২, ইসলামি আন্দোলন ১, গণঅধিকার পরিষদ ১, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ১, গণসংহতি আন্দোলন ১, খেলাফত মজলিস ১ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসন পেয়েছে।

আইন অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে বিএনপি ৩৬টি, জামায়াত ১২টি ও বাকিগুলো অন্যান্যদের জন্য নির্ধারিত।

এমএইচএইচ/এআরএম