জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় দেওয়া অর্থ নারীরা বিদেশে পাচার করবে না; বরং তা স্থানীয় অর্থনীতিতেই ব্যয় হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই অর্থ প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে আরও সচল করবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণ করবে। কৃষক কার্ডধারীরা বছরে আড়াই হাজার টাকা এবং ফ্যামিলি কার্ডধারী নারীরা প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে পাবেন। একসঙ্গে সবাইকে এই সুবিধার আওতায় আনা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি বাজেটে বরাদ্দ বাড়িয়ে ধীরে ধীরে এর পরিধি বিস্তৃত করা হবে।
মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা নিয়ে তিনি বলেন, এই অর্থ ছাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না, ফলে এতে মূল্যস্ফীতি তৈরি হওয়ার সুযোগ নেই। বরং এই অর্থ বাজারে প্রবাহিত হয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘যেসব নারী এই অর্থ পাবেন, তারা এটি বিদেশে পাচার করবেন না। বরং পরিবারের প্রয়োজন, সন্তানদের শিক্ষা, পুষ্টি বা ছোটখাটো ব্যবসায় বিনিয়োগে ব্যয় করবেন।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘এই অর্থ স্থানীয় বাজারে ঘুরে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়াবে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কোনো নারী মুদির দোকান থেকে পণ্য কিনলে সেই দোকানের বিক্রি বাড়বে, ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ স্থানীয় শিল্পের পণ্য ব্যবহার করে। ফলে এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পখাতও শক্তিশালী হবে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘তাৎক্ষণিক পরিবর্তন না এলেও আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানে দৃশ্যমান উন্নয়ন আসবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।’
টিএই/জেবি