বিশেষ প্রতিনিধি
০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০২ পিএম
আটকেপড়া বাংলাদেশের ছয়টি জাহাজ হরমুজ প্রণারী দিয়ে পার হওয়ার বিষয়ে অনুমতি দিয়েছে ইরানের নিরাপত্তা কাউন্সিল। জাহাজগুলো ফেরত আনার বিষয়ে ঢাকা ও তেহরান উভয়পক্ষ কাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকায় ইরানের দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদী।
তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে সাহায্য করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
যদিও যুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশের বিবৃতি নিয়ে ইরানের দুঃখের বিষয় রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ প্রকাশের সঙ্গে নিন্দা জানানো প্রয়োজন। বাংলাদেশ হলো ইরানের ভাই। দুর্দিনে এক ভাই আরেক ভাইয়ের পাশে থাকবে, এটাই আশা করি।
এই যুদ্ধকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয় উল্লেখ করে জলিল রহীমি জাহানাবাদী বলেছেন, এটি মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
আরও পড়ুন:
ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকার আগ্রাসনের সময় একমাসের বেশি অতিবাহিত হচ্ছে। যুদ্ধটা তখনই তারা শুরু করে, যখন ওমানের মধ্যস্থতায় ভালোভাবে আলোচনা চলছিল।
ইসরায়লের উসকানিতে এ যুদ্ধ আমেরিকা শুরু করেছে। পুরো মধ্যপাচ্যকে যুদ্ধে নিয়ে এসেছে। ট্রাম্প ইসরায়লের প্ররোচনায় যুদ্ধে পা দিয়েছে এবং এখন পালানোর পথ খুঁজছে।
যুদ্ধের একটা নীতি থাকে উল্লেখ করে জলিল রহীমি জাহানাবাদী বলেন, যুদ্ধের নামে স্কুল-কলেজে শিশুদের ওপর আক্রমণ করবে, এটা হতে পারে না।
তারা যুদ্ধের নামে কীভাবে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণের ওপর হামলা করছে? এখানে কি ইরান অস্ত্র তৈরি করেছিল? এটা কি সামরিক ঘাঁটি ছিল? শিশুরা কি আমেরিকা-ইসরায়লের জন্য হুমকি ছিল?
আমেরিকা-ইসরায়েল যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বলে, তার মধ্যে কি এটা পড়ে না? মুসলমান হওয়া কি অপরাধ?
-এমএমএস