নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে বিভিন্ন জায়গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটছে। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা দুর্ঘটনা কবলিত রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার। সেখানে বর্তমানে এমন দুর্ঘটনার রোগী ভর্তি আছে ৯ জন।
বুধবার (২৫ মার্চ) হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নেন। এছাড়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ রোগী জরুরি সেবা নেন। প্রতিদিন গড়ে ১৬০ জনের বেশি রোগী ভর্তি হন।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির পাঁচ দিনে জরুরি বিভাগে এক হাজার ৩০০ রোগীকে সেবা দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এর মধ্যে ভর্তি হয়েছেন প্রায় ৩০০ রোগী।
জানতে চাইলে হাসপাতালটির পরিচালক ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দিন ঢাকা মেইলকে বলেন, দুর্ঘটনার শিকার বর্তমানে নয়জন রোগী ভর্তি আছে। আর বাকিরা চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। দুর্ঘটনার শিকার রোগীদের বেশিরভাগ হাত এবং পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত। এছাড়া সর্দি কাশির রোগীও আসছে। ৪০টি বিভাগ রয়েছে, সব বিভাগেই কম বেশি রোগী আসছে।
ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দিন জানান, রোগীদের সেবায় কোনো ধরনের সংকট নেই। সবাইকে সেবা দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে সব মিলিয়ে হাসপাতালটিতে ১ হাজার ২০০ জন রোগী ভর্তি আছেন।
সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মানিকগঞ্জ থেকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে এসেছেন রাহিদ হাসান। জানতে চাইলে তিনি বলেন, অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেলসহ পড়ে গেছি। আমি বাইক চালিয়েছি, আমার সঙ্গে কেউ ছিল না। বা পায়ে ব্যথা পেয়েছি। হাঁটাচলা করতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
পাঁচ দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে এসেছেন জহির আহমেদ। জানতে চাইলে তাঁর সঙ্গে থাকা স্বজন রিপন মিয়া বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু ওষুধ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো ধরনের কাজ হচ্ছে না এবং জ্বর বেড়ে যাচ্ছে।
রিপন বলেন, এখানে জরুরি বিভাগ থেকে বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেগুলো করে দেখি। এখনও ডেঙ্গুর ভয় রয়েছে, সেইসঙ্গে নিউমোনিয়া। আশা করছি, এখানে ভালো চিকিৎসা পাওয়া যাবে।
এসএইচ/ক.ম