images

জাতীয়

ফিরতি পথেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষেরা। ফিরতি যাত্রায় সড়কে বড় ধরনের যানজট বা ভোগান্তির চিত্র দেখা না গেলেও যথারীতি অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন যাত্রীরা। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবারের ঈদে তুলনামূলক দীর্ঘ ছুটি থাকায় অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগেই ঢাকায় ফিরে এসেছেন। ফলে প্রথম কর্মদিবসে রাজধানীতে প্রবেশপথগুলোতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়নি। এতে যাত্রীদের যাতায়াতও স্বস্তিদায়ক ছিল।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও রায়েরবাগ এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল থেকে আসা দূরপাল্লার বাসে যাত্রী আসছে নিয়মিতভাবে। তবে অন্য বছরের তুলনায় গাড়ি ও যাত্রীর চাপ অনেকটাই কম। সড়কে যানবাহনের চলাচলেও স্বাভাবিক গতি।

4

তবে স্বস্তিদায়ক এ যাত্রার মধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন অনেক যাত্রী। 

নোয়াখালী থেকে রাজধানীতে ফেরা যাত্রী রাজিব আহসান শনির আখড়ায় নামার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যাওয়ার সময় যেমন বেশি ভাড়া দিতে হয়েছে, ফেরার সময়ও একই অবস্থা। স্বাভাবিকের তুলনায় এখনো বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে অভিযোগ করার সুযোগ বা কার্যকর ব্যবস্থা নেই বলেও জানান তিনি।

একই অভিযোগ চাঁদপুর থেকে আসা খাদিজা বেগমের। তিনি বলেন, ‘সাধারণ সময়ে চাঁদপুর থেকে ঢাকায় আসার ভাড়া ২০০ টাকা হলেও বর্তমানে ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কাউন্টারে বিষয়টি জানালেও ভাড়া কমানো হয়নি।’

ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরও কেন অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে, সে প্রশ্নেরও সন্তোষজনক উত্তর পাননি বলে জানান তিনি।

3

যাত্রীরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি প্রায় প্রতি বছরই ঘটে থাকে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি না থাকায় এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। তাই দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে ঈদযাত্রায় বাড়ি যাওয়ার পথেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছিলেন অনেক যাত্রী। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে সেসব দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলা হয়েছিল, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বরং কম নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে। 

এবার ফিরতি পথেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ যাত্রীদের। সরকার এ নিয়ে কী বলে, এখন সেটাই দেখার। 

এমআর/এএইচ