images

জাতীয়

এক মাসে শতাধিক অপতথ্যের শিকার বিএনপি সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ মার্চ ২০২৬, ১০:২৩ এএম

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই শতাধিক আসনে বিজয়ী হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। ইতোমধ্যে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের এক মাস পূর্তি হয়েছে। তবে এই সময়ে সরকারকে অন্যান্য চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি নানা অপতথ্যের মোকাবেলাও করতে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে এসব অপতথ্য সরকারকে বিব্রত করেছে বারবার। বিরোধী বলয়ের লোকজন এসব অপতথ্য ছড়িয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করেছে। 

শনিবার (২২ মার্চ) সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম এক মাসের ভুল ও অপতথ্য বিশ্লেষণ করে তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিএনপি সরকারকে জড়িয়ে গত এক মাসে শতাধিক অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এর বেশির ভাগই নেতিবাচক।  

ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠানটি ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ মার্চ ২০২৬ (৩০ দিন) সময়ের মধ্যে এসব অপতথ্য চিহ্নিত করেছে। এসব অপতথ্যের ৭৬ শতাংশই নেতিবাচক উপস্থাপন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন

সরকারের এক মাসে কী বার্তা পাওয়া গেল?

অপতথ্যের সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার বিরুদ্ধে ছড়ানো হয়েছে ৪৫টি অপতথ্য। এর মধ্যে ৫৮ শতাংশই নেতিবাচক উপস্থাপন।

Rumer2

মন্ত্রিপরিষদের বিরুদ্ধে ৩৩টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এর ৯৮ শতাংশেই নেতিবাচক উপস্থাপন। মন্ত্রীদের মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে ৮টি, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৫টি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ৪টি, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে ৩টি, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের ‍বিরুদ্ধে ৩টি, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বিরুদ্ধে ২টি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের বিরুদ্ধে ২টি।

আরও পড়ুন

ঈদের পর বিএনপি সরকারের সামনে বড় ৩ চ্যালেঞ্জ

এছাড়া প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে ২টি, শামা ওবায়েদের বিরুদ্ধে ১টি, ফকির মাহবুব আনাম স্বপনের বিরুদ্ধে ১টি, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ১টি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১টি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বিরুদ্ধে ১টি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ১টি অপতথ্য ছড়ানো হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারের বিরুদ্ধে একটি অপতথ্য ছড়ানো হয়।

এসব অপতথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ভুয়া বক্তব্য ৪৬টি, ভুয়া ফটোকাৰ্ড ১৮টি, সার্কাজম পেজের পোস্ট ২৭টি, এআই কনটেন্ট ১১টি, পুরোনো ছবি-ভিডিও ৫টি, সম্পাদিত ছবি ২টি।

জেবি