images

জাতীয়

দুই আসনের ভোটে ইসিকে সহযোগিতায় সরকারের নির্দেশনা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ দুই আসনের ভোটকে সামনে রেখে সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিতদের ক্ষেত্রে বদলি ও ছুটি সীমিত রাখাসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পরিপত্র থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অনুরোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্য থেকে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদেরও এ কাজে যুক্ত করা হতে পারে। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষককে ভোটগ্রহণসহ বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩: সালামির নামে টাকা দেওয়া যাবে না ভোটারদের

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের প্রচার শেষ ৭ এপ্রিল

এতে আরও বলা হয়, নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্বপ্রাপ্তির পর থেকে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রেষণে নিয়োজিত থাকবেন এবং তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশ মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন। নির্বাচনসংক্রান্ত দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে রিটার্নিং কর্মকর্তার আইনানুগ নির্দেশ জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন সময়সূচি জারির পর থেকে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বদলি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, নির্বাচনি কাজে নিয়োজিতদের ছুটি না দেওয়া, অন্যত্র বদলি না করা এবং দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটাতে পারে—এমন কোনো দায়িত্ব না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সর্বোপরি, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এমএইচএইচ/জেবি