images

জাতীয়

এলইডি ও ইনভার্টারে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম

দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি দফতরগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে সাধারণ বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের পরিবর্তে এলইডি লাইট ও ইনভার্টার প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দেশজুড়ে সরকারি দফতরের জন্য এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অঙ্গীকার, আলোকিত হোক সকল পরিবার’ প্রতিপাদ্যে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, দক্ষতা বৃদ্ধি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার জোরদারে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়। এতে লাইটিং সিস্টেমে জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্বারোপ করে সিএফএল লাইটের পরিবর্তে এলইডি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, লাইটিং ফিক্সচার বা রিফ্লেক্টরে উচ্চ প্রতিফলন ক্ষমতাসম্পন্ন রং ব্যবহার করলে আলোর উজ্জ্বলতা বাড়ে। সিঁড়ি, ওয়াশরুম ও করিডোরসহ সাধারণ স্থানে মোশন সেন্সরনির্ভর লাইট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো যায়। পাশাপাশি নির্ধারিত ‘লাক্স লেভেল’ বজায় রাখা, নিয়মিত লাইট পরিষ্কার রাখা এবং দিনের প্রাকৃতিক আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ রাখা, ডাবল গ্লেজড বা লো-ইমিশন গ্লাস ব্যবহার এবং নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার ও সার্ভিসিং করার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি ও রেফ্রিজারেটর এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্লাগ লোড ব্যবস্থাপনায় ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ ‘পাওয়ার সেভিং মোডে’ রাখা, ব্যক্তিগত প্রিন্টার বা স্ক্যানারের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কভিত্তিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং মাইক্রোওয়েভ ওভেন গ্রুপভিত্তিক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনে সব ধরনের যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে অফিস ভবনের ছাদ বা খালি স্থানে সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত কোড অনুযায়ী বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ৩ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশের মূল্যবান জ্বালানি সম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এম/এএস