জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৮ এএম
বগুড়ার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত হলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে দেড় বছরের এক কন্যাশিশু। গুরুতর আহত ওই শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে।
এ ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে গুরুতর আহত শিশুটির চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্বও নিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যার পর প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক ও নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার পথে বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছে এক শিশু। শিশুটির বাবা-মার অবস্থাও গুরুতর বলে জানা গেছে।
এদিকে দেড় বছরের শিশুটিকে তার মায়ের সঙ্গে আনা হয়েছে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে। শিশুটির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত ও তার চিকিৎসার সকল দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রুমন জানান, গুরুতর আহত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার জেলা প্রশাসক ও বগুড়ার শহিদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিতে নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই সঙ্গে আহত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হহয়েছে। সেখানকার পরিচালকের সঙ্গেও কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি শিশুটির সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে যাবতীয় চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছেন।
এর আগে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে রংপুরগামী একটি মাইক্রোবাস ১২ জন যাত্রী নিয়ে বগুড়ার শেরপুর এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলে একজন মারা যান। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক শিশুটির তিনজন স্বজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে বগুড়ার জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, নিহতদের মরদেহ রংপুরের কাউনিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তাদের দাফন করা হবে।
নিহতরা ঢাকা থেকে পরিবার এবং আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে একই গাড়িতে করে গ্রামের বাড়ি রংপুরের কাউনিয়ায় ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বগুড়ার শেরপুরে দুর্ঘটনার শিকার হন।
বিইউ/এএইচ