নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৩ এএম
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটারদের জন্য আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওসিভি (ওভারসিজ সিটিজেন ভোট) পদ্ধতিতে এসব ব্যালট পাঠানো হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে যেসব মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা শেষ হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো আপিল পাওয়া যায়নি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পরই চূড়ান্তভাবে জানা যাবে কোন আসনে কতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর এই নির্বাচনে প্রবাসী ভোটারদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
প্রবাসীদের জন্য ওসিভি ও দেশের ভেতরের ভোটারদের জন্য আইসিভি, দুই ধরনের পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা থাকবে। প্রবাসীদের জন্য ওসিভি ব্যালট বৃহস্পতিবার থেকে পাঠানো শুরু হবে। আর দেশের ভেতরে থাকা পোস্টাল ভোট গ্রহণ শুরু হবে ২৩ বা ২৪ মার্চের দিকে।
ইসি সচিব বলেন, আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বগুড়া-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এখানেও রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া কেউ আপিলও করেননি। সকলেই এখনো বৈধ প্রার্থী হিসেবে আছেন।
এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল দেয় কমিশন।
অন্যদিকে শেরপুর-৩ আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র থেকে মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আপিলের নির্ধারিত সময়ে কেউ আপিল না করায় মনোনয় দাখিলকারী সকলেই বৈধ প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ছিল ৫ মার্চ।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তির দিন ছিল ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ মার্চ এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে আগামী ১৫ মার্চ এবং ভোট গ্রহণ ৯ এপ্রিল।
এএইচ