images

জাতীয়

নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধরের অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইসির 

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম

ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিউল্লাহর বিরুদ্ধে একজন নিরাপত্তা প্রহরীকে শারীরিক নির্যাতন ও অশালীন আচরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নিরাপত্তা প্রহরী মো. ইসমাইল হোসেন এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব ও রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
 
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) অফিস বন্ধের দিন বিকেলে অফিস রুমের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিউল্লাহ হঠাৎ ইসমাইল হোসেনের ওপর চড়াও হন এবং তাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন (রেজি নং- ৮৭৮৯/৩৩)।
 
ভুক্তভোগী ইসমাইল হোসেন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর যোগদানের পর থেকেই জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিউল্লাহ অধস্তন কর্মচারীদের সাথে তুচ্ছ কারণে চরম দুর্ব্যবহার করে আসছেন। গত ১ ফেব্রুয়ারি মোবাইল চার্জ দেওয়াকে কেন্দ্র করেও তিনি ইসমাইলকে মারধর করতে উদ্যত হন এবং হুমকি দেন। 
 
অফিসের অন্যান্য কর্মচারীদের দাবি, উক্ত কর্মকর্তা প্রায়ই স্টাফদের চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখান এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এর ফলে অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং কর্মচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

অভিযোগে ইসমাইল হোসেন বলেন, উক্ত কর্মকর্তার আচরণ শুধু মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী নয়, বরং আইনের দৃষ্টিতেও গুরুতর অপরাধ। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই অশোভন আচরণের কারণে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অভিযোগে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক অব্যাহতি এবং দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
 
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বলেন, কোনো  অফিসারই কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শারিরীকভাবে আঘাত করতে পারে না। নির্বাচন কমিশনের কোনো অফিসার যদি এটা করে থাকেন এবং কেউ যদি অভিযোগ দেন তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
এমএইচএইচ/ ক.ম