জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইন্স মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট স্থগিত বা বাতিল করেছে। এ অবস্থায় হযরত শাহজালালে বিমানবন্দরে আগে থেকে আসা মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা বিপাকে পড়েন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা এসব যাত্রীদের সঙ্গে দেখা করতে যান বিমান মন্ত্রী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তারা টার্মিনালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিকেলে ফ্লাইট বন্ধ হওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী হাজার হাজার যাত্রী। সেসব যাত্রীদের এখন অনেকে কি করবেন, কোথায় থাকবেন তা সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।
হাজার হাজার আটকে পড়া যাত্রীদের অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যে কাজের জন্য যাচ্ছেন। কিন্তু হঠাৎ করে ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় তারা এখন বড় বিপাকে পড়েছেন।
এদিকে এয়ারলাইন্সগুলোকে ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় সকল যাত্রীদের জন্য করণীয় কি তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে-ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্ব সংক্রান্ত তথ্য যাত্রীদের এসএমএস, ই-মেইল ও কল সেন্টারের মাধ্যমে অগ্রিমভাবে অবহিত করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের স্টাফদের বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে যাত্রীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান ও দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করতে হবে।
পুনঃনির্ধারিত ফ্লাইট সংক্রান্ত স্পষ্ট ও সমন্বিত তথ্য প্রদান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি পরিহার করা যায়।
ওইসব রুটসমূহে ভ্রমণের পরিকল্পনায় থাকা সম্মানিত যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্স অফিস বা ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ করে ফ্লাইট স্ট্যাটাস যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত যাত্রী নিরাপত্তা ও অপারেশনাল স্বাভাবিকতা নিশ্চিতকল্পে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।
যাত্রী সাধারণের সহানুভূতি ও সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য করেছে কর্তৃপক্ষ।
এমআইকে/ এজে