images

জাতীয়

‘এমন পরিবেশে ভোট দিতে পারব কল্পনা করতে পারছি না’

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২০ এএম

মো. ইকবাল হোসেন। রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার এই বাসিন্দা ফজরের নামাজ পড়ে ভোট দিতে চলে আসেন কেন্দ্রে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর সকাল সাড়ে ৭টায় কেন্দ্রে প্রবেশ করে ভোট দেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিজের ভোটের পাশাপাশি দেন গণভোটও।

‎মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজের কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার পর ব্যক্ত করেন নিজের অনুভূতি।

‎ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আজকে ফজরের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে চলে এসেছি। আজকে আমি সর্বপ্রথম লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলাম। গত কয়েক বছর ধরে ভোট দিতে অপেক্ষা করছিলাম। ভোট দেওয়ার পর মনে হচ্ছে এই প্রথম নিজের মনের মতো করে ভোট দিতে পারলাম। এটাই সবচেয়ে আনন্দের। কারণ, বাংলাদেশে এমন পরিবেশে ভোট দিতে পারব তা কল্পনা করতে পারছি না।

‘নিজের ভোটের পাশাপাশি আমি জীবনের প্রথম গণভোট দিলাম। যে ভোটের মাধ্যমে এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। জীবনে এ প্রথম ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলাম। আমি চাই আগামী সংসদ হবে একটি নিরপেক্ষ সংসদ, যা সকল মত নির্বিশেষে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সংসদ হবে। এমন আয়োজনে একটি ভোটের জন্য আমরা গত ১৭ বছর অপেক্ষা করছিলাম। এমন একটি সুন্দর পরিবেশের ভোটের অধিকার আমাদের থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমরা আবারো সেই ভোটের আনন্দ খুঁজে পেয়েছি। দীর্ঘ কয়েক বছর অপেক্ষার পর এমন একটি ভোট আমরা পেয়েছি।’

mohammodpur-2আব্দুল মজিদও প্রথম গণভোট দিয়েছেন। তিনি ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘আমি আজকে মোহাম্মদপুরের শারীরিক শিক্ষা কলেজে ভোট দিয়েছি। জীবনে এ প্রথম নিজের ভোটের সঙ্গে গণভোট দিলাম। দুইটা ভোট দিতে কোনো সমস্যা হয়নি।’

‎তিনি আরো বলেন, ‘এবারের ভোট একেবারে ব্যতিক্রম মনে হলো। আনন্দের সঙ্গে ভোট দিয়েছি। পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাবসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দাঁড়িয়ে আছে। একেবারে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়ে এসেছি। অন্যান্য বছরের মতো বলেনি, আপনি চলে যান ভোট হয়ে গেছে। কিন্তু এবার ব্যালট বক্সে সুন্দর মতো ভোট দিয়েছি।’

‎ইকবাল হোসেন, আব্দুল মজিদের মতো অনেকে ভোট দিয়েছেন। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি তারা গণভোটও দিয়েছেন। তবে, গণভোট দিতে গিয়ে কোন ভোগান্তি পোহাতে হয়নি বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।’

একেএস/এমআর