images

জাতীয়

ঢাকা–১৩ আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৬ প্রার্থীর এজেন্ট নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৫ এএম

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে নির্বাচনি লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন মোট ৯ জন প্রার্থী। তবে ভোটগ্রহণের দিন কেন্দ্রে প্রার্থীদের উপস্থিতি ও তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের কোনো পোলিং এজেন্টকে দেখা যায়নি।

‎বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোট শুরুর পর সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান দুই-তিন প্রার্থীর এজেন্টরা উপস্থিত থাকলেও বাকি প্রার্থীদের পক্ষে এজেন্ট না থাকায় অনেক কেন্দ্রেই তাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল না। তবে, নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি প্রার্থীর পক্ষে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে পোলিং এজেন্ট থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে তার ব্যতিক্রম দেখা গেছে।

‎মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, এ কেন্দ্রে পুরুষ ও মহিলা ভোটারদের জন্য আলাদা বুথ করা হয়েছে। দুই কেন্দ্রের মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ২৬৪০। এছাড়াও, মহিলা ভোটারের সংখ্যা ২৩৫৩ জন। এ কেন্দ্রগুলোতে দুইজন প্রিজাইডিং অফিসার নিযুক্ত আছেন। 

পুরুষ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন মো. রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২৬৪০ জন। ৫টি বুথে ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন। সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। তবে, আমার কেন্দ্রে ধানের শীষ ও রিকশা এজেন্টরা রয়েছে। পাশাপাশি, ঘুড়ির ১ জন এজেন্ট ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীর এজেন্ট নেই।

‎মহিলা কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন বাদল মিয়া। তিনি বলেন, আমার কেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যা ২৩৫৩ জন। ৫টি বুথে ভোটারদের ভোট গ্রহণ চলছে। তবে, সব প্রার্থীর এজেন্ট দেওয়া হয়নি। ধানের শীষ, রিকশা ও ঘুড়িসহ মাত্র তিনজন প্রার্থীর এজেন্ট উপস্থিত আছে। বাকি কারো এজেন্ট নাই।

‎ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই ছোট দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচারণা মাঠে কম দেখেছেন। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, সাংগঠনিক দুর্বলতা কিংবা পর্যাপ্ত কর্মী-সমর্থক না থাকায় এসব প্রার্থীরা কেন্দ্রে এজেন্ট দিতে পারেননি।

সব মিলিয়ে ঢাকা-১৩ আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের এজেন্ট না থাকা নির্বাচনি প্রতিযোগিতার ভারসাম্য ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন ভোটাররা।

‎একেএস/এমআই