নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এ উপলক্ষে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে বন্ধ থাকবে শপিং মল এবং রাইড শেয়ারিংসহ কিছু জরুরি সেবা।
তালিকায় আরও রয়েছে দোকানপাট। রয়েছে যান চলাচলে বিধিনিষেধ। পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক, লঞ্চ চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া গ্রাহক পর্যায়ে অর্থ লেনদেন করা গেলেও বন্ধ রয়েছে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ অন্যান্য এমএফএস অ্যাপের ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট সেবা।
এদিকে সরকারি নির্দেশে মঙ্গলবারই বন্ধ হয়ে গেছে শিল্প-কারখানা। বুধ-বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি, সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি।
লম্বা এই ছুটিতে অনেকে ঢাকা ছাড়তে শুরু করায় মঙ্গলবার সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ লক্ষ্য করা গেছে ঢাকার বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালে।
অন্যদিকে, ভোটের আগের দিন থেকে বিভিন্ন শপিংমল ও বড় বড় বাজার সাময়িক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘোষণায় অনেকে জরুরি কেনাকাটাও সেরে নিচ্ছেন।
ঢাকার পান্থপথ এলাকার বাসিন্দা শিরিন সুলতানা বলেন, দোকানদাররা বেশিরভাগই গ্রামে চলে গেছে, গাড়ি-ঘোড়াও বন্ধ থাকবে শুনছি। আবার ভোটে জয়-পরাজয় ঘিরে কী হয় না হয়, ফের কবে মার্কেট খোলে, না খোলে! সবদিক ভেবেই একটু বেশি করে বাজার সদাই করে রাখছি।’
মিরপুরের একটি পোশাক কারখানার কর্মী তাজুল ইসলাম বলেন, সকালে গেছিলাম ট্রেন স্টেশনে, টিকিট পাই নাই। সেখান থেকে এই বাস টার্মিনালে আসছি, কিন্তু বাসেও সিট পাচ্ছি না।’
কারখানা ছুটি হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে পরিবার-পরিজন নিয়ে টাঙ্গাইলের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তাজুল ইসলাম। বাসে সিটের অপেক্ষায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা ইতোমধ্যেই দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় করে ফেলেছেন। দিনের আলো থাকতে গ্রামে পৌঁছাতে পারবেন কি না, সেটিও নিশ্চিত নন।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘তারপরও গ্রামে যাচ্ছি, কারণ অনেক বছর ভোট দিতে পারি নাই। এবার নিজের ভোটটা দিতে চাই।’
এএইচ