images

জাতীয়

ইনকিলাব মঞ্চ ও কর্মচারীদের আন্দোলন: সংঘর্ষে আহত ১৬ পুলিশ সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন ও হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টার সময় ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে তৈরি হওয়া সংঘর্ষে পুলিশের অন্তত ১৬ সদস্য আহত হয়েছে।

‎শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

‎তিনি জানান, হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে এবং নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনকারীরা যমুনা অভিমুখে মিছিল নিয়ে এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

‎ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী আরও জানান, সংঘর্ষে ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের অন্তত ১৬ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন একজন অতিরিক্ত ডিআইজি, একজন পরিদর্শক, একজন সার্জেন্ট ও একাধিক কনস্টেবল। তাদের বেশির ভাগেরই হাত, পা ও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, একজনের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে।

‎ডিএমপির পাঠানো তালিকা অনুযায়ী, আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে সিটিটিসি, পিওএম (পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ), শাহবাগ থানাসহ বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে হাতে ব্যান্ডেজ অবস্থায় দেখা গেছে।

‎পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, যমুনা ঘেরাওয়ের চেষ্টা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা ও সার্বিক সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

‎বিবৃতিতে জানানো হয়, যমুনা ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও শুক্রবার বিভিন্ন দাবি নিয়ে একাধিক গোষ্ঠী পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পুরো ঘটনায় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

‎একেএস/এফএ