ঢাকা মেইল ডেস্ক
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৪ এএম
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ ও রপ্তানি বৃদ্ধি লক্ষ্যে নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, দেশের রপ্তানি সক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে কার্যকর আমদানি নীতির ওপর। রপ্তানিযোগ্য পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সহজে আমদানি, দেশে প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পরবর্তীতে বিদেশে রপ্তানির সুবিধা নিশ্চিত করতেই নতুন নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।
শফিকুল আলম জানান, নতুন নীতির ফলে আমদানি প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়িক সুবিধা বাড়বে। কাস্টমস শুল্ক ও অন্যান্য কর ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে আদায় করা হবে, যা রাজস্ব সংগ্রহে স্বচ্ছতা ও গতি বাড়াবে। এছাড়া পণ্য ছাড়পত্র ও পরবর্তী যাচাই-বিশ্লেষণে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রথম দফা পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা পড়লে আমদানিকারীরা দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করার সুযোগ পাবেন, যা আগে ছিল না।
প্রেস সচিব আরও জানান, নতুন বিধান অনুযায়ী রপ্তানিমুখী শিল্প—তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, জাহাজ নির্মাণ, আসবাবপত্র ও ফার্নিশিং খাত—প্রয়োজনীয় কাঁচামাল শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করতে পারবে। এতে এসব খাতের রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারের মতে, নতুন নীতি বাস্তবায়নের ফলে দেশে ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও বাণিজ্যবান্ধব হবে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।