ঢাকা মেইল ডেস্ক
১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪০ এএম
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’-এর আওতায় পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও গ্রীন ভয়েস-এর যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে ‘হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া এভিনিউ (সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা) থেকে শুরু হয়ে ফার্মগেট–কারওয়ান বাজার–সার্ক ফোয়ারা প্রদক্ষিণ করে বিজয় স্মরণী হয়ে বিমান সিগনাল অতিক্রম করে পরিবেশ অধিদপ্তর, আগারগাঁওয়ে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তাগণ এবং গ্রীন ভয়েসের সহ-সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন, শাকিল কবির ও ফাহমিদা নাজনীন শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পুলিশ যৌথভাবে কাজ করলে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ অনেক সহজ হবে। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশকে তাৎক্ষণিক জরিমানার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন আমদানি বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বলেন, নতুন বিধিমালার আলোকে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিতভাবে শব্দদূষণের বিরুদ্ধে জরিমানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও জোরদার করা হবে।
শোভাযাত্রায় পুলিশের সুসজ্জিত মোটরবাইক, পিকআপ ভ্যান ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যানবাহন অংশ নেয়। এ সময় সড়কের দু’পাশে অবস্থানরত সাধারণ মানুষ করতালির মাধ্যমে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি থেকে ঢাকার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানা ১০ দিন মোবাইল কোর্ট ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়, যা আজকের মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে শেষ হয়। এই কার্যক্রমে গ্রীন ভয়েসের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবীরা সহযোগিতা করেন।
প্রতিনিধি/টিবি