নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান ঢাকা মেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
হাসানুজ্জামান বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। যা চলবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ৮ লাখের বেশি কর্মকর্তাদের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হয় ১৪৭টি আসনে। এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ছিল মোট ২ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ জন। যার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিল ৬৬ জন, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিল ৫৭৭ জন। প্রিজাইডিং অফিসার ছিল ১৮ হাজার ২০৮ জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ছিল ৯১ হাজার ২১৩ জন আর পোলিং অফিসার ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৪২৬ জন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ছিল মোট ৬ লাখ ৮ হাজার ৫৮৪ জন। যার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিল ৬৬ জন, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিল ৫৮২ জন। আর এদের অধীনে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৩১২ জন, আর পোলিং অফিসার ছিল ৪ লাখ ৬২৪ জন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ছিল মোট ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬৬ জন। যার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিল ৬৬ জন, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিল ৫৯২ জন। প্রিজাইডিং অফিসার ছিল ৪২ হাজার ১৪৮ জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ছিল ৮৪ হাজার ২৯৬ জন আর পোলিং অফিসার ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪ জন।
তফসিলের অনুযায়ী, আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি নেবে কমিশন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এমএইচএইচ/এএস