images

জাতীয়

সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

মহান বিজয় দিবসে অনুষ্ঠিত প্যারাশুট জাম্প (স্কাইডাইভিং) চলাকালীন একসঙ্গে সর্বাধিক সংখ্যক পতাকা উড়ানোর রেকর্ডটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

F1

এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ পেল এক অনন্য আন্তর্জাতিক সম্মান। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ প্যারাশুট জাম্প অভিযানের মাধ্যমে বাংলাদেশ একসঙ্গে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিশ্বরেকর্ড গড়েছে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সাহসী ও দক্ষ স্কাইডাইভারদের অংশগ্রহণে, যাদের মধ্যে আশিক চৌধুরী (বিডা)-সহ প্রশিক্ষিত প্যারাট্রুপাররা ছিলেন, এই ব্যতিক্রমী অভিযানে আকাশে ভেসে ওঠে লাল-সবুজের ৫৪টি পতাকা। পুরো উদ্যোগটি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন (এএফডি)।

F2

‘মোস্ট ফ্ল্যাগ ফ্লোন সিমুলটেনাসলি হুয়াইল স্কাইডাইভিং (প্যারাশুট জাম্প)’ শিরোনামে রেকর্ডটি অর্জন করে টিম বাংলাদেশ, যার মাধ্যমে দেশটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিসিয়াল টাইটেল হোল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের রেকর্ডস ম্যানেজমেন্ট টিম জানায়, এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবসকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্মরণীয় করে তোলা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্কাইডাইভারদের একত্রিত করে জাতীয় ঐক্য, সাহস ও সক্ষমতার এক শক্তিশালী বার্তা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা।

F4

এই অর্জন শুধু একটি বিশ্বরেকর্ড নয়, এটি বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। লাল-সবুজের এই গর্বিত মুহূর্ত ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

এদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম ওঠায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। 

F3

তিনি বলেন, ‘আজ এদেশের সকলের জন্য একটি গর্বের দিন। আমরা এ আনন্দ দেশের সকল জনগণের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই।’

মহান বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে অংশ নেন- চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, মো. নান্নু মিয়া, মো. মাহমুদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শিহাব শেখ, মো. আরিফুর রহমান, ফরহাদ আহমেদ, মো. নজরুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আশিকুল ইসলাম, মো. সিরাজুল হক, মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মো. রমজান আলী, মো. মনোয়ার হোসেন, মো. শরীফ আহমেদ, বশির আহমেদ, মো. মাহমুদুল হাসান, রাকিবুল ইসলাম, মো. আবু সায়েম, মো. আবু হাসান চৌধুরী, ওমর ফারুক, মনিরুল ইসলাম, সৌরভ আকন্দ রাসেল।

F5

আরও অংশ নেন- মো. মনিরুজ্জামান, এস.এম. রাজিবুল ইসলাম, মো. নুরুল হাসিব, মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, আব্দুল আলিম, আরাফাত রহমান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. রুবেল হক, মো. সলীম আলী, মো. মহসিন, মো. বিন ইবনুল ইসলাম, এস. এম. এলমা আজম, মঈনুল ইসলাম, মো. তানভীর হোসেন হিমেল, মো. সরোয়ার আলম খান, মিলন চন্দ্র বর্মণ, এস. কে. মো. নাসিম উদ্দিন, মো. সাকিম মাহমুদ, মো. তাইফুর রহমান, মুহাম্মদ রাসেল মাহমুদ, ইমরান আল জিহাদ, মো. মাহেদী হাসান, মো. আশিকুর রহমান, মো. শাহজাহান আলী, আলমগীর হোসেন, মো. জাকির মিয়া, রুবেল মিনিস, মো. নাসির উদ্দিন, মো. তৌফিকুর রহমান চাকলাদার।

এএইচ