জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে ফাতেমা আক্তার নামে এক স্কুল ছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মিলন মল্লিক নামে এক রেস্তোরাঁ কর্মীকে গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সেই ছাত্রীর সঙ্গে মিলনের প্রেম ছিল। সেদিন মেয়েটির বাবা বাড়িতে ছিল না। বাসায় ঢুকে মিলন তাকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে বলে। কিন্তু সেই মেয়ে রাজি হয়নি। ফলে তাকে সেখানে এক পর্যায়ে গলাকেটে হত্যা করে মিলন।
গ্রেফতারের পর র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন মিলন।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোরে তাকে বাগেরহাট সদর থানার বড় সিংগা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
মিলন র্যাবের কাছে দাবি করেছে, ভুক্তভোগী ফাতেমার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন আকার ইঙ্গিতে তাদের সেই প্রেম চলতো। হত্যার আগে ফাতেমা তাকে কথা দিয়েছিল তার পরিবার গ্রামে গেলে তারা পালিয়ে যাবেন। কথা মতো সেদিন সেই বাসায় হাজির হয় মিলন। তাকে তার সঙ্গে যেতে বলে। কিন্তু ফাতেমা রাজি হয়নি। সেই সময় ফাতেমা তাকে কটাক্ষ করে জানিয়েছিল, মিলন তার বাবার রেস্তোরাঁর কর্মচারী আর সে মালিকের মেয়ে। তাই সে তার সঙ্গে পালিয়ে যাবেন না। ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে মিলন তাকে গলা কেটে হত্যা করেন। পরে পালিয়ে যান বাগেরহাট জেলার বড় সিংগা এলাকায়। গা ঢাকা দেন। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি তার।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় রামপুরা থানায় একটি মামলা হয়।
হত্যাকাণ্ডের শিকার ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত সে। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে।
এমআইকে/এমআই