images

জাতীয়

আয়নাঘরের ভুক্তভোগী আরমান ও আজমীকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৪১ পিএম

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের বানানো গোপন বন্দিশালা আয়নাঘরের দুই ভুক্তভোগী ব্যারিস্টার আরমান ও ব্রিগেডিয়ার আমান আজমীকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।

বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্বে নিয়োজিত ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে। 

ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, দীর্ঘদিনের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হওয়া আলোচিত দুই ভুক্তভোগী ব্যারিস্টার আরমান ও ব্রিগেডিয়ার আমান আজমী প্রকৃতপক্ষে গুম হননি, বরং তুরস্কের একটি সেফ হাউজে ছিলেন। এমন দাবিতে দৈনিক কালের কণ্ঠের লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ড সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, দৈনিক কালের কণ্ঠ থেকে এমন সংবাদ বা ফটোকার্ড প্রচার করা হয়নি। সংবাদমাধ্যমটিও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সঙ্গত কারণে ফ্যাক্টওয়াচ এসব ফটোকার্ডকে বিকৃত সাব্যস্ত করছে।

ফ্যাক্টওয়াচ আরও জানায়, দৈনিক কালের কণ্ঠের নাম ও লোগোযুক্ত কার্ডের শিরোনাম ছিল- ‘গুম নয়, তুরষ্কের আঙ্কারায় সেফ হাউজে ছিলেন আমান আজমী ও আরমান ‘তুরষ্ক থেকে সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধার’। 

অনুসন্ধান শনাক্ত হয়, আলোচিত ফটোকার্ডে তারিখ ‘১৪ নভেম্বর ২০২৫’ উল্লেখ করা হয়। তবে দৈনিক কালের কণ্ঠের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ১৪ নভেম্বর তারিখে এমন কোন ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়নি। 

এছাড়া সংবাদমাধ্যমটির ওয়েবসাইটেও এ ধরনের খবর পাওয়া যায়নি। কালের কণ্ঠ থেকে প্রকাশিত ফটোকার্ডের সঙ্গে তুলনা করে দেখা যায়, ছড়িয়ে পড়া কার্ডে ব্যবহৃত ফন্ট ও আঙ্গিকে পার্থক্য রয়েছে।

এদিকে শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫৯ মিনিটে দৈনিক কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেইজ থেকে ভিন্ন একটি ফটোকার্ডে জানানো হয়, ভাইরাল ফটোকার্ডটি তাদের নয়। এটি ভুয়া নিউজ, যার সঙ্গে কালের কণ্ঠের সম্পৃক্ততা নেই।’

ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, ভাইরাল ফটোকার্ডটি প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে। 

এএইচ